বিদ্যুত্ লাইনের আশপাশে ঘুড়ি ওড়ানো নিষেধ

দেশে বিদ্যুত্ সঞ্চালন লাইনের আশপাশে ঘুড়ি ওড়ানো বন্ধ করতে জনগণকে সতর্ক করেছে সরকার। গতকাল মঙ্গলবার এসংক্রান্ত সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বিদ্যুত্, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশে বিদ্যুত্ সঞ্চালন লাইনের আশপাশে ঘুড়ি ওড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। ছোট-বড় বিভিন্ন আকৃতির ঘুড়ি আকাশে ওড়ানোর সময় বিদ্যুতের টাওয়ার অথবা তারের সঙ্গে প্রায় সময় আটকে যাচ্ছে। এ কারণে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি বিদ্যুতের লাইনে শর্টসার্কিট হয়ে বিদ্যুত্ সঞ্চালন বন্ধ থাকে। স্থানীয় জনগণ বিদ্যুত্ সরবরাহ থেকে বঞ্চিত হন ও দুর্ভোগে পড়েন।

এর আগে দেশের যেসব এলাকায় উড়োজাহাজ উড্ডয়ন করে সেসব এলাকায় ঘুড়ি ওড়ানো নিষিদ্ধ করে সরকার। সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, করোনা সংক্রমণের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘরবন্দি মানুষ মাঠে, বাড়ির ছাদে বা উঠানে ঘুড়ি ওড়ানোতে বিনোদন খুঁজে পাচ্ছেন। এ কারণে ঘুড়ি ওড়ানো বেড়ে গেছে।

ঘুড়ি ও মোটা সুতা আটকে সম্প্রতি আশুগঞ্জ-সিরাজগঞ্জ ২৩০ কেভি লাইন, ঘোড়াশাল-আশুগঞ্জ ২৩০ কেভি লাইন, ঘোড়াশাল-আশুগঞ্জ ১৩২ কেভি লাইন, ভুলতা-আশুগঞ্জ ৪০০ কেভি লাইন, হরিপুর-নরসিংদী ১৩২ কেভি লাইন, কুমিল্লা (উত্তর)-চৌদ্দগ্রাম ১৩২ কেভি লাইন, ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা ১৩২ কেভি লাইন, ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ ১৩২ কেভি লাইনসহ কয়েকটি বিদ্যুতের লাইন শর্টসার্কিট হয়ে ট্রিপ হয়েছে। তাছাড়া ভেজা অবস্থায় মোটা সুতা বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে থেকে জনবসতি এলাকায় পড়লে বিদ্যুতায়িত হয়ে জীবন ও সম্পদের  অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। এমন অবস্থায় বিদ্যুতের লাইন, উপকেন্দ্র ও টাওয়ারের কাছাকাছি ঘুড়ি ওড়ানো ‘পরিহার করতে বিশেষভাবে অনুরোধ’ করেছে সরকার।