ইসরাইলের গোয়েন্দাপ্রধানের আরব আমিরাত সফর

কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের কয়েকদিন পর নিরাপত্তা ইস্যু

নিয়ে আলোচনা হলো

আল জাজিরা

আরব আমিরাতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক জোরদারে দেশটিতে সফর করেছেন ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান ইয়োসি কোহেন। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার কয়েক দিন পর মঙ্গলবার নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে তিনি এ সফর করেন।

আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ওয়েম জানিয়েছে, নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে মোসাদ প্রধানের সঙ্গে কথা বলেছেন আমিরাতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা শেখ তাহনাউন বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। আলোচনায় নিরাপত্তা সহযোগিতার সম্ভাবনা এবং আঞ্চলিক উন্নয়ন ও অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড  ট্রাম্প ইসরাইল-আমিরাত সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ঘোষণা দেওয়ার পর এটাই ঊর্ধ্বতন কোনো ইসরাইলি কর্মকর্তার প্রথম প্রকাশ্য আমিরাত সফর। এদিকে ইসরাইলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ায় উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রির সুযোগ আরো বাড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এক সাক্ষাত্কারে ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড ফ্রেইডম্যান বলেছেন, আমিরাত যত ইসরাইলের মিত্র, অংশীদার ও যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক মিত্র হবে, আমি মনে করি এতে হুমকির মাত্রা কমবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র কেনার ক্ষেত্রে আমিরাত লাভবান হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকে নিশ্চয়তা দিয়েছে যে, আরব দেশগুলোর তুলনায় তারা অত্যাধুনিক অস্ত্র পাবে।  এর মধ্যে রয়েছে লকহিড মার্টিনের তৈরি এফ-৩৫ জঙ্গিবিমান যুদ্ধে ব্যবহার করেছে ইসরাইল। কিন্তু আমিরাত এখনো তা কিনতে পারেনি। নিয়ার ইস্ট পলিসি থিংকট্যাংকের ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউটের আরব-ইসরাইল সম্পর্ক প্রকল্পের পরিচালক ডেভিড মাকোভস্কি বলেন, এই চুক্তিটি আমিরাতের জন্য জয়। এর ফলে আমিরাত সামরিক সরঞ্জাম কিনতে পারবে যেগুলো এখন শুধু ইসরাইলই কিনতে পারে। ইসরাইলের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র এগুলো আরব দেশগুলোর কাছে বিক্রি করে না।