সেপ্টেম্বর থেকে খুলছে বালি দ্বীপ

দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়ার অর্থনীতির অন্যতম খাত পর্যটন। প্রতিবছর ৬০ লাখ বিদেশি এবং ১০ লাখ স্থানীয় পর্যটক বালি ভ্রমণ করে। ইন্দোনেশিয়ায় ১৭ হাজারের বেশি দ্বীপ থাকলেও ভ্রমণপিপাসুদের কাছে বরাবরই এক অনন্য আকর্ষণীয় স্থানের মর্যাদা পেয়েছে বালি দ্বীপ। বালি দ্বীপের সৌন্দর্য উপভোগ আর সমুদ্র সৈকতে সূর্যস্নান করতেই মূলত এখানে ভিড় করে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা। করোনা ভাইরাসের কারণে পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ ছিলো দ্বীপের পর্যটন ব্যবসা। দেশটির সরকার করোনা মোকাবেলায় জনসমাগম নিষিদ্ধ করে লকডাউন কার্যকর করছিলো। অর্থনীতির চাকা সচল করতে বালি দ্বীপের পর্যটন ব্যবসাকে আবারো চালু করছে সরকার। আগামী মাসের ১১ তারিখ থেকে             আনুষ্ঠানিকভাবে বালি দ্বীপকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে।

দেশটির অধিকাংশ মানুষ ইসলাম ধর্মাবলম্বী হলেও বালিতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীর সংখ্যাই বেশি। ১১ সেপ্টেম্বর বালির হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি বিশেষ দিন। এই দিনকে ঘিরে প্রতিবছর অন্য এক রূপে সেজে ওঠে বালি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি বালির সাংস্কৃতিক উত্সব উদযাপনের লক্ষ্যে এই দিনটিতে প্রতি বছরই হাজারো বিদেশি পর্যটক ভিড় করেন সেখানে। এই উত্সবের দিনে সমুদ্র সৈকতে, মন্দিরে মন্দিরে, যোগব্যায়ামের স্টুডিওতে ভিড় করে পর্যটকরা। করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন ধরে একপ্রকার বেকার দিন কাটাচ্ছেন বালির পর্যটন শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্তরা। এ অবস্থা থেকে উত্তোরণের জন্য এই উত্সবের দিনটিকেই বালি দ্বীপ খুলে দেওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত মনে করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। -সিএনএন