আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কোকে অনেকেই ইউরোপের শেষ স্বৈরশাসক হিসেবে অভিহিত করে থাকেন। গত ২৬ বছর ধরে শক্ত হাতে বেলারুশের ক্ষমতা ধরে রেখেছেন তিনি। কিন্তু গত নির্বাচনের পর থেকেই তিনি গণবিক্ষোভের মুখে পড়েছেন। বিতর্কিত নির্বাচনি ফলাফলের পর থেকে তার ওপর পদত্যাগেরও চাপ বাড়ছে।
লুকাশেঙ্কো ১৯৯৪ সালে দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন। একমাত্র ঐ একটি নির্বাচনই আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের বিবেচনায় অবাধ ও নিরপেক্ষ ছিল। এরপর লুকাশেঙ্কো পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন আরো পাঁচবার। এর মধ্যে চলতি বছরের ৯ আগস্ট ছিল দেশটির সর্বশেষ নির্বাচন। ঐ নির্বাচনে তিনি ৮০ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশন। এর পরই বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে বেলারুশ। আর এ কারণে এখন প্রায় প্রতিদিনই আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় তার খবরটি বের হচ্ছে। সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন জাগে, কেমন ছিলেন তিনি কিংবা কেমন পরিবার থেকে তার উত্থান। খুব সাধারণ একটি পরিবার থেকে এসেছেন লুকাশেঙ্কো। পূর্ব বেলারুশের একটি দরিদ্র গ্রামে তার মা তাকে একাকী বড় করেছেন। ১৯৭৫ সালে স্নাতক পাশ করেন তিনি। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষকতা শুরু করেন এবং এরপর দুই বছর রাজনীতির প্রশিক্ষক হিসেবে সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলক সেবা প্রদান করেন। ১৯৮৫ সালে একটি সমবায় খামারের চেয়ারম্যান হন। এর ফলশ্রুতিতে তাকে ১৯৮৭ সালে দেশের পূর্ব-মধ্যাঞ্চলীয় মাহিলিও এলাকায় একটি রাষ্ট্রীয় খামারের পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। —নিউ ইয়র্ক টাইমস