কারোনা পরিস্থিতি ও স্বাভাবিক জীবনযাপন

কোভিড-১৯-এর প্রকোপ বাংলাদেশে এখনো খুব একটা কমেনি। তবু স্বাভাবিক হয়ে আসছে প্রাত্যহিক জীবনযাত্রা। সেটা কি বাধ্য হয়ে না অসচেতনতার কারণে? এ ব্যাপারে টেলিফোন ও

ইমেইলে প্রাপ্ত পাঠকদের অভিমত প্রকাশিত হলো

জনজীবন স্বাভাবিক হওয়ার পেছনে মানুষের অসচেতনতার চেয়ে জীবিকার প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারটিই অধিক গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দেখভাল করতে হলমুখী হচ্ছে। চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে ‘হোম অফিস’ এর সুযোগ বন্ধ থাকায় সকলকেই কর্মক্ষেত্রে  গমন করতে হচ্ছে। করোনাকালের প্রথম কয়েকমাসের মধ্যেই মধ্যবিত্তের সঞ্চয় ফুরিয়ে এসেছে। ফলে তাকেও বাধ্য হয়ে কাজে নামতে হচ্ছে। মূলত, জীবিকার তাগিদেই মানুষ কাজে ফিরছে, যার দরুণ জনজীবনে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসার একটা সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে সবক্ষেত্রেই মাস্ক ব্যবহারের মতো কিছু মৌলিক স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অন্যথায়, বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েই যাচ্ছে।

অনিক আহমেদ

শিক্ষার্থী, আইন বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

করোনার করুণ থাবায় বিপর্যস্ত বাংলাদেশ তথা বিশ্ব অর্থনীতি। ৮ মার্চ ২০২০ বাংলাদেশে প্রথম হানা দেয় মরণব্যাধি করোনা ভাইরাস। সে থেকে প্রথম তিন মাস মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মেনেই শাটডাউন-লকডাউন পালন করেছে, কিন্তু পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হওয়ায় দরিদ্ররা হচ্ছে অতিদরিদ্র, অন্যদিকে মধ্যবিত্ত নিম্নবিত্তরা ব্যবসা হারিয়ে চাকরিচ্যুত হয়ে, কেউ শহর ছেড়ে পাড়ি জমিয়েছে গ্রামে, কেউ বেছে নিয়েছে অডজব। এছাড়া বাংলাদেশের মানুষ ধর্মভীরু। তারা বিশ্বাস করে আল্লাহ্র হুকুম থাকলেই কেউ আক্রান্ত হবে, তাই অসচেতনতা নয়, অনেকটা বাধ্য হয়েই তারা বের হচ্ছে জীবন-জীবিকার সন্ধানে।

ডা. মর্জিনা আক্তার

গুলশান, ঢাকা

করোন ভাইরাসের প্রকোপ এখনো পুরোপুরি কমেনি। সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘করোনার চরম ঝুঁকিতে রয়েছে দেশ। পুরোপুরি নির্মূল না হলে ঝুঁকিমুক্ত বলা যাবে না। পরীক্ষার হার কম থাকায় শনাক্ত কম হচ্ছে।’ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মতে জনচলাচল বেশি থাকায় সংক্রমণ বাড়ছে। তবু স্বাভাবিক হয়ে আসছে জনজীবন। কারণ এই দীর্ঘ লকডাউনে অর্থনৈতিক যে ক্ষতি হয়েছে তা সহজে কাটিয়ে ওঠার নয়। ভ্যাকসিন আসুক বা না আসুক কোভিড-১৯ বাংলাদেশ থেকে এমনিতেই চলে যাবে ইনশাআল্লাহ। 

উবাইদুল্লাহ তারানগরী

কামারখন্দ, সিরাজগঞ্জ  

সংক্রমণ ও মৃত্যু কোনোটাতেই দেশের করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। মানুষ জীবন ও জীবিকার তাগিদে ছুটলেও সংক্রমণের হার এখনো ঊর্ধ্বগতির ধারায়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া আর সব কাজকর্ম স্বাভাবিকভাবে চললেও নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে মানুষের সচেতনতা ও সতর্কতার অপরিহার্য দাবি কিন্তু পূরণ হচ্ছে না। সামাজিক দূরত্ব অফিস-আদালতে অনেকটা বজায় থাকলেও হাটবাজার, গণপরিবহন, রাস্তাঘাট এবং হোটেল-রেস্টুরেন্টে বিষয়টি প্রায়ই উপেক্ষিত। রাজধানীসহ প্রান্তিক পর্যায়ের সিংহভাগ গণপরিবহন বর্ধিত ভাড়ায় অর্ধেক যাত্রী বহনের নির্দেশনা না মানায় সাধারণ যাত্রীদের সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়েও বর্ধিত ভাড়ার মাশুল গুনতে হচ্ছে।

আবু ফারুক

বনরুপাপাড়া, সদর, বান্দরবান

বাস্তবে করোনা সংক্রমণের অবস্থা আগের চেয়ে খুব একটা ভালো নয়। পরীক্ষায় আগ্রহ হারিয়ে মানুষ নিজেদের স্থবির হয়ে যাওয়া আর্থিক কর্মকাণ্ডকে পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। সরকারের স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত কঠোর নির্দেশনা মাঠ পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে আগের মতো বাস্তবায়িত না হওয়ার দরুন অধিকাংশ মানুষ অসচেতনতার পরিচয় দিচ্ছে। সবার আচরণে এখন যা হওয়ার হবে এমন ভাবনার বহিঃপ্রকাশ ঘটছে। গণপরিবহনের নিয়মশৃঙ্খলা মানার বালাই নেই অথচ ভাড়া ঠিকই বেশি নিচ্ছে।

 এফ এম সালাহউদ্দীন

বান্দরবান সদর, বান্দরবান পাবর্ত্য জেলা

বুলেটিন বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি সচেতনতামূলক কার্যক্রমেও ভাটা দেখা যাচ্ছে। মানুষের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রবণতাও লোপ পেয়েছে। অথচ সংক্রমণ এবং মৃত্যুর সংখ্যায় এখনো তেমন একটা হেরফের নেই। স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড করা খুব একটা কঠিন কাজ নয়। এক্ষেত্রে সরকারকে পুরোদমে নজর দিতে হবে। গণপরিবহনের নৈরাজ্য বন্ধ না হলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো কঠিন হবে।

মোহাম্মদ ফয়সাল

পূর্ব মাদারবাড়ি, চট্টগ্রাম

জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে করোনা ভয়কে উপেক্ষা করে ঘর থেকে বেরিয়ে আসছে মানুষ। বলতে গেলে  বাধ্য হয়েই সবাই ঘর থেকে বেরিয়ে  আসছে। অন্যদিকে  এসবের মধ্যে  প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যাপারে উদাসীন সাধারণ মানুষ। বেশিরভাগ মানুষই মুখে মাস্ক ব্যবহার না করে চলাফেরা করছে। বিভিন্ন মার্কেট ও শপিংমলে ঢুকতে কিছুদিন আগেও তাপমাত্রা মেপে ও জীবাণুমুক্তকরণ কক্ষের মাধ্যমে প্রবেশে বাধ্যবাধকতা থাকলেও বর্তমানে ঢিলেঢালা ভাব লক্ষ করা গেছে। এতে করে এতদিনের লকডাউনের সব সুফল ব্যর্থতায় পর্যবসিত হতে পারে।

সাদিয়া সুলতানা মাহি

সাভার, ঢাকা

ভ্যাকসিন আসার আগে বাংলাদেশ থেকে করোনা ভাইরাস চলে যেতে পারে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই লাগামহীন মন্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কারণ প্রতিদিনের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, করোনা ভাইরাস থেকে বাংলাদেশ এখনো ঝুঁকিমুক্ত নয়। বাস্তবতাকে অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। তবে মানুষের মধ্যে যে পরিমাণ আতঙ্ক ও শঙ্কা ছিল, তা অনেকটা কেটে গেছে। স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে মানুষের জীবন জীবিকা। আসলে শুরু থেকেই মুষ্টিমেয় কিছু লোক ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় হোক, তারা নানা অজুহাতে স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। তাদের কাছে অনিয়মই নিয়ম, তারা সব সময়ই আইন বা নিয়ম না মানতে অভ্যস্ত এবং এ মুষ্টিমেয় কিছু লোকের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অধিকাংশ মানুষের জীবন ও জীবিকা।

মো. জিল্লুর রহমান

সতিশ সরকার রোড, গ্লোরিয়া, ঢাকা

কাভিড-১৯ সংক্রমণ এবং এ রোগে মৃত্যুর হালনাগাদ তথ্য প্রকাশের জন্য প্রতিদিন দুপুরবেলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যে অনলাইন ব্রিফিং করে আসছিল, গত ১২ আগস্ট থেকে তা বন্ধ করা হয়েছে! কী কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, সেই কারণ অনিবার্য ছিল কি না, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা আমরা এখন পর্যন্ত পাইনি! ফলে এটা একটা প্রশ্ন আকারেই থেকে যাচ্ছে।

বিলকিছ আক্তার

সরকারি ম্যাটস, টাঙ্গাইল

আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি যে, দেশে প্রথম কোভিড-১৯ সংক্রমিত হওয়ার পাঁচ মাস পরও দেশের ৪২টি জেলায় এখনো কোনো পরীক্ষাকেন্দ্র খোলা হয়নি। অন্তত দেড় মাস আগে থেকেই সংবাদমাধ্যমে এ বিষয়ে লেখালেখি চলেছে। এই সময়ের মধ্যে ঢাকার বাইরে সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনা অনেক বেড়েছে এবং বেসরকারি নানা সূত্র থেকে খবর পাওয়া যাচ্ছে, অনেক জেলা শহরে অনেক মানুষের মধ্যে সংক্রমণ শুরু হয়েছে। কিন্তু পরীক্ষাকেন্দ্র নেই বা পর্যাপ্ত সংখ্যায় পরীক্ষা করা হচ্ছে না বলে সংক্রমণের প্রকৃত চিত্র পাওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে এক সময় রেড জোন হিসেবে ঘোষিত উচ্চ হারে সংক্রমিত এলাকাগুলোতেও আর ‘লকডাউন’ নেই!

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

পার্বতীপুর, দিনাজপুর

স্বাভাবিক ভাবেই  স্বাভাবিক হচ্ছে জীবনযাত্রা। কারণ ‘যখন বারণ করে তখনই হয় গন্ডগোল, দেশের মানুষ নাইকো হুঁশ করে শুধু ষোরগোল’। একটা কথা আছে, ‘পেটে নাই ভাত ব্রাশে মাজে দাঁত’। এই কথাটা গরীবের কাছে খাটে না, তাই বাধ্য হয়েই কাজে বের হতে হয়। করোনা ভাইরাস দুর্বল হয়নি, বেড়েছে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

মনোজ কুমার বিশ্বাস

পার্বতীপুর, দিনাজপুর

অভাবে স্বভাব নষ্ট। কোভিড-১৯-এর প্রকট কমেনি তা সত্ত্বেও মানুষের কর্মজীবন স্বাভাবিক হতে বাধ্য হচ্ছে। এর কারণ ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবীটা গদ্যময়। শুধু তাই নয়, পেটে খাবার না থাকলে ভালোবাসা জানলা দিয়ে পালিয়ে যায়। যারা দিন আনে দিন খায় তারা আজ বের হতে বাধ্য হচ্ছেন।

ডা. মো. জামিল রহমান

গোপালপুর, টাঙ্গাইল

কোভিড-১৯-এর প্রকট কমেনি একথা সত্য। তবে করোনা পরিস্থিতির মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে আসছে দেশ। জীবন আর জীবিকার কারণে সবকিছু খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে উদাসীন। শারীরিক দূরত্ব মানার কোনো বালাই নেই।

আব্দুল মালেক মিয়া

মিরপুর-২, ঢাকা

করোনা থাকুক আর না থাকুক, জীবন বাঁচাতে হবে, আয়-রোজগার করতে হবে। করোনার কারণে জীবন থেমে থাকবে এটা তো হয় না। করোনাকে সঙ্গী করেই চলতে হবে সাবধানতা অবলম্ব্বন করে।

সালেহা আফরিন বেবী

শিবগঞ্জ, সিলেট

মানুষের মধ্যে অসচেতনতার কারণে করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। এতে কোনো ভুল নেই। সামাজিক দূরত্ব, স্বাস্থ্যবিধি না মানা, মাস্ক ব্যবহারে অনীহা রয়েছে। প্রশাসনের চেষ্টায়ও মাস্ক ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে ওঠেনি। এর মধ্যেও স্বাভাবিক হয়ে আসছে জীবন।

শিশির

পিলখানা, ঢাকা

গত সাত-আট মাস যাবত্ দেশ-বিদেশে মরণব্যাধি কোভিড-১৯ করোনার প্রতিষেধক ওষুধ ভ্যাকসিন এখনো তেমনভাবে আবিষ্কৃত হয়নি। এরই মধ্যে বিশ্বে প্রায় ২ কোটির অধিক মানুষ মারা গেছেন। সেহেতু অন্ধের যষ্টি জনসচেতনতা অবলম্বন ছাড়া এর কোনো বিকল্প নেই। অর্থাত্ মাস্ক, স্যানিটাইজেশন, গ্লাভস আর সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করতে সবাইকে অধিক যত্নবান হতে হবে। আর শরীরের বৃদ্ধির জন্য ভিটামিনযুক্ত খাবার খেতে হবে। কোনো অবস্থাতেই স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করা চলবে না।

আলহাজ মো. হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী (হিফজু)

রাজশাহী-৬২০২

আমরা মনে করি, বর্তমান অবস্থায় সচেতনতা বাড়াতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে সবার দৃষ্টি দিতে হবে।

আল মায়ামী

সাভার, ঢাকা

সমাজের মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং দরিদ্র শ্রেণির মানুষ পেটের দায়ে জীবিকানির্বাহের জন্য স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন। সচেতন থাকার মানসিকতা থাকলেও কর্মের প্রয়োজনে ও সংসারে চাহিদা যোগান দিতে অনেকটা অসচেতন হয়ে পড়ছেন অনেকেই। জীবন অনেক মূল্যবান। কিন্তু ক্ষুধার জ্বালায় জীবন কখনো মূল্যহীন হয়ে ওঠে। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে স্বাস্থ্যসেবার প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট হয়ে গেছে। তাই কোভিড-১৯ এর প্রকোপের মধ্যেও অনিচ্ছা সত্ত্বেও স্বাভাবিক জীবনে না ফিরে উপায় দেখছে না।

মুহাম্মদ আবুল আজাদ

সর্দারপাড়া , মুন্সীগঞ্জ

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের বড় ঝুঁকিতে রয়েছে এখন ঢাকা। ঢাকার দুটি সিটি করপোরেশন এই ঝুঁকিতে রয়েছে। জনচলাচল বেশি থাকায় সংক্রমণ বাড়ছে। করোনা ভাইরাসে মহামারি ধারা এখন পালটে যাচ্ছে এটা সত্য। ২০, ৩০ এবং ৪০ বয়সিরাই ক্রমবর্ধমানভাবে খুব সহজেই নোভেল করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঘটাচ্ছে। সুতরাং এ বিষয়ে সচেতনতা অবশ্যই থাকতে হবে।

মো. মারুফুজ্জামান

বাসাবো, ঢাকা

জীবন-জীবিকার জন্য সরকারকে অনেক কিছু শিথিল করতে হয়েছে। কোভিড-১৯ রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসটি একেবারেই নতুন। তাই সচেতন থাকা দরকার।

মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)

আরাপপুর,  ঝিনাইদহ

করোনা থেকে বাঁচতে মাস্ক ব্যবহার না করার কারণে জরিমানা ও শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। তবুও মানুষের মধ্যে মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্ব বিষয়ে উদাসীনতা রয়েছে।

বজলুল

রিক , ধানমন্ডি, ঢাকা

করোনা ভাইরাস বর্তমানে বাংলাদেশে কি অবস্থায় আছে এর সঠিক তথ্য ্এবং সংক্রমণের পরিমাণ না জানার দরুন অধিকাংশ মানুষই মনে করছে বোধহয় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে গেছে। তারপর ১ সেপ্টেম্বর থেকে স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। সবার কাছে অনুরোধ পরিস্থিতি যে অবস্থায়ই থাকুক আমরা সবাই যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখি।

মাখরাজ খান

সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ