রত্না নদীতে সেতু নির্মাণের দাবি

ড্রামের ভেলায় পারাপার!

জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের ঐহারদাস গ্রামে রত্না নদী পারাপারে স্থানীয় উদ্যোগে ড্রাম দিয়ে বানানো হয়েছে ভেলা। এতে একসঙ্গে ২০-২৫ জন পারাপার করতে পারবেন। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ব্যতিক্রমী এ সার্ভিসটি উদ্বোধন করা হয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, ইঞ্জিনবিহীন ফেরিটিতে নদীর দুই পাড়ে রশি বেঁধে রাখা হয়েছে। লোকজন ফেরিতে উঠে রশি টেনে নদী পার করছে। এ জন্য কোনো অর্থ দিতে হচ্ছে না। জানা যায়, পাইলগাঁও ইউনিয়ন ছাত্র কল্যাণ পরিষদ ও স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ মিয়া নুনু, আব্দুল কাদির, কুতুব উদ্দিন জুয়েল ও সাজ্জাদ হোসাইনের অর্থায়নে এটি তৈরি করা হয়।

ব্যতিক্রমী এ ফ্রি ফেরি সার্ভিস কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা ইসলাম উদ্দিন, মানিক মিয়া, কয়ছর রশীদ, আলিম উদ্দিন, শাহাজান মিয়া, কায়িদ মিয়া, কবির আহমদ, আনহার মিয়া, মারুফ জামান, মশিউর মধু, আব্দুল কাদির, হেলিম উদ্দিন, কাদির মিয়া প্রমুখ। এ সময় তারা জানান, ফেরিটি চালু হওয়ায় পাইলগাঁও ইউনিয়নের ঐহারদাস, সাতা, মুকন্দপুর, তেরাউতিয়া, মাকরকোনা, দয়ালনগরসহ আশপাশের ৮/১০টি গ্রামের জনসাধারণ ও শিক্ষার্থীরা সহজে নদী পারাপার করতে পারবেন। স্থানীয়রা জানান, রত্না নদীতে সেতু না থাকায় বর্ষা মৌসুমে জনসাধারণ ও শিক্ষার্থীরা যাতায়াত সমস্যায় চরম ভোগান্তির শিকার হন। হেমন্তে সাঁকো ও বর্ষায় নৌকা দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের পারাপার হতে হয়।  স্থানীয় বাসিন্দা কয়ছর রশীদ জানান, ফেরি সার্ভিসটি চালু হওয়ায় এলাকার শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি জনসাধারণ উপকৃত হয়েছেন। তিনি রত্না নদীতে সেতু নির্মাণের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।