বসুন্ধরার অন্যরকম দুশ্চিন্তা

এএফসি কাপ ফুটবল

স্পোর্টস রিপোর্টার

করোনার কারণে এএফসি কাপে বসুন্ধরা কিংসের গ্রুপ পর্বের অবশিষ্ট খেলাগুলো মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত হবে। মালদ্বীপে কোভিড-১৯, করোনা টেস্ট করা হবে। খেলোয়াড়দের কেউ যদি পজিটিভ শনাক্ত হন তাহলে বিপদ বসুন্ধরার। এক দফা টেস্ট করিয়ে ঢাকা থেকে রওনা হবে। তার পরও যদি মালদ্বীপে টেস্টে শনাক্ত হয় তাহলে নিশ্চিত বিপদ। বসুন্ধরা কিংসের দুর্ভাবনাটা অন্যখানে। ক্লাব মনে করছে প্রথম টেস্ট মালদ্বীপ ফুটবলসংশ্লিষ্টরা করাবেন। তারা যদি রিপোর্ট দেন বসুন্ধরার তিন-চার ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত, তাহলে কী হবে? ক্লাব সভাপতি ইমরুল হাসান এটা নিয়েই দুশ্চিন্তা করছেন। বলছেন, ‘আমরা এখান থেকে কোচ ও খেলোয়াড়দের করোনা টেস্ট করিয়ে বিমানে তুলব। ওখানে (মালদ্বীপ) টেস্ট করাবে মালদ্বীপ। ওরা যদি বলে আমাদের তিন জন ফুটবলার পজিটিভ শনাক্ত, আর সেই তিন জন যদি দলের গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার হয়—আমি তাহলে বিপদে পড়ে যাব। তিন জনকে ছাড়াই মাঠে নামতে হবে।’ এই জায়গাটাতে দুশ্চিন্তার আরো কারণ আছে। ভুল রিপোর্ট হতে পারে। এমন সময় রিপোর্ট প্রকাশ হতে পারে যখন অতিথি দল বসুন্ধরার মাঠে নামার সময়, তখন কিছু করার থাকবে না।

বসুন্ধরা আশঙ্কা করছে প্রতিপক্ষকে দুর্বল করতে নানা কিছু হতেও পারে। তাহলে উপায় কী? এমন প্রশ্নে ইমরুল হাসান বললেন, ‘আমরা মালদ্বীপে গিয়ে দুই বার পরীক্ষা করব। একটা টেস্ট হতে পারে মালদ্বীপের পক্ষ থেকে। আরেকটি টেস্ট হবে আমাদের পক্ষ থেকে। আমাকে যদি বলা হয় বারকোসের পজিটিভ এসেছে। মাঠে নামার আগে এই ধাক্কা সামাল দেওয়া যাবে না। আমরা ক্রসচেক করতে পারব। টেস্ট করানোর বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’

গতকাল সকালে ঢাকায় ফিরেছেন দলের স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্রুজন। প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা অনুশীলন সেপ্টেম্বরে। নিশ্চিত হয়েছে তার আগেই আসবেন ব্রাজিলিয়ান আরো দুই নতুন ফুটবলার রবিনহো এবং ফার্নান্দেজ। বারকোস তো আছেনই। এই তিন জন ছাড়াও এশিয়ান কোটায় এক জনকে নেওয়া হবে। ইমরুল হাসান জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার দুই জন এবং ইরানের এক জন বাছাই তালিকায় রয়েছে।

এএফসি কাপে বসুন্ধরার গ্রুপে ভারতের চেন্নাই সিটি এফসি, মালদ্বীপের দুটি দল—টিসি স্পোর্টস ক্লাব, মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন খেলছে। এরই মধ্যে বসুন্ধরা এক ম্যাচ জিতেছে। বাকি ম্যাচ ২৩ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর মালদ্বীপে হবে।