লোকসান কাটিয়ে উঠতে সহযোগিতা কামনা
ধামরাই (ঢাকা) সংবাদদাতা
ধামরাইয়ে প্রায় আড়াই শতাধিক ইটভাটা রয়েছে। বছরের পর বছর ধরে এসব ভাটার ইট দেশের নির্মাণকাজে চাহিদার বিরাট অংশ পূরণ করে আসছে। কিন্তু চলতি মৌসুমে করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইট বিক্রিও বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি বন্ধ হয়ে যায় ইট উত্পাদনও । এছাড়া সাম্প্রতিক বন্যায় ভাটাগুলো তলিয়ে যাওয়ায় একদিকে ইট বিক্রি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে। আবার ভাটাগুলোর ক্ষতিও হয়েছে বড় আকারে। এসব কারণে উপজেলার ইটভাটার মালিকরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিরাট লোকসানের মুখে পড়েছেন। সেই সঙ্গে ক্ষতির মুখে পড়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও হাজার হাজার শ্রমিক।
বাংলাদেশ ইটভাটা মালিক সমিতির সহসভাপতি আহাম্মদ হোসেন আক্ষেপ করে বলেন, ‘করোনায় খেয়েছে অর্ধেক। বাকি অর্ধেক খেয়ে গেল বন্যায়।’ নূরুজ্জামান বিপ্লব, খালেদ মাসুদ লাল্টু, রফিকুল ইসলাম নপু, আজাহার আলী, দেলোয়ার হোসেন, কাউসার আহমেদ, শাহজাহান, সিরাজুল ইসলাম, জাভেদ, আব্দুল কাদের, শাহীনুর, মোস্তাক, মাসুদ রানাসহ অন্যান্য ভাটা মালিকরা জানান, ‘করোনা ও বন্যা তাদের সর্বনাশ করে দিয়েছে। করোনা ও বন্যার প্রাদুর্ভাবে তারা যে লোকসানের মুখে পড়েছেন আগামী তিন বছরেও তা কাটিয়ে ওঠা যাবে কি না সন্দেহ। উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ জানান, ‘ইটভাটা মালিকরা বিরাট লোকসানের সম্মুখীন। সরকারি সহযোগিতা ছাড়া এ লোকসান কাটিয়ে উঠা সম্ভব নয়।’