দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ষাটোর্ধ্বদের মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এই পর্যন্ত যারা মারা গেছেন, তাদের বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ষাটোর্ধ্ব রোগীদের মৃত্যুর হার ৪৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ, ৫১ থেকে ৬০ বয়সি রোগীদের মৃত্যুর হার ২৭ দশমিক ৮২ শতাংশ, ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সি রোগীদের মৃত্যুর হার ১৩ দশমিক ৩৬ শতাংশ, ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সি রোগীদের মৃত্যুর হার ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ, ২১ থেকে ৩০ বয়সি রোগীদের মৃত্যুর হার ২ দশমিক ৪১ শতাংশ, ১১ থেকে ২০ বছর বয়সি রোগীদের মৃত্যুর হার শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ ও শূন্য থেকে ১০ বছর বয়সি রোগীদের মৃত্যুর হার শূন্য দশমিক ৪৯ শতাংশ। গতকাল শনিবার বিকালে সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির এই সর্বশেষ তথ্য জানানো হয়। এলাকাভিত্তিক বিশ্লেষণে ঢাকা বিভাগে মৃতের হার ৪৮ দশমিক ১৪ শতাংশ, চট্টগ্রাম বিভাগে ২২ দশমিক ২২ শতাংশ, রাজশাহীতে ৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ, খুলনায় ৮ দশমিক ১১ শতাংশ, বরিশাল বিভাগের মৃতের হার ৩ দশমিক ৯২ শতাংশ, সিলেটে ৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ, ময়মনসিংহে ২ দশমিক ১২ শতাংশ, রংপুরে ৪ দশমিক ১২ শতাংশ।
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরো ৪৬ জন। এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৩ হাজার ৯০৭ জন। নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ২২৬ জন। শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত শনাক্ত ২ হাজার ২৬৫ জনকে নিয়ে দেশে করোনা ভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৯২ হাজার ৬২৫ জন হল। আইইডিসিআরের হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিত্সাধীন আরো ২ হাজার ৯৫২ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত এক দিনে। তাতে সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৫৬৭ জন হয়েছে।