প্রধান সড়কে বাস ও অটোরিকশার স্ট্যান্ড

তাড়াশ পৌর এলাকা

গোলাম মোস্তফা, তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা

তাড়াশে পৌর শহরের কোথাও সিএনজি অটোরিকশা ও বাসের যাত্রী ওঠা-নামার জন্য নির্ধারিত কোনো স্ট্যান্ড না থাকায় ব্যস্ততম রাস্তার ওপরেই গাড়িগুলো রাখা হচ্ছে। অপর দিকে যত্রতত্র গড়ে উঠেছে অটোভ্যান ও ইজিবাইক গ্যারেজ। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। শহর জুড়ে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। আবার মাঝে-মধ্যেই ঘটছে দুর্ঘটনা। সরেজমিনে দেখা যায়, পৌর ভবনের দেওয়াল ঘেঁষে ও শহরে যাতায়াতের প্রধান রাস্তার ওপর রাখা হয়েছে বাস। পাশেই উপজেলা মত্স্য রিসোর্স সেন্টারের দেওয়াল ঘেঁষে লম্বা সারিতে রাখা হয়েছে সিএনজি। ছোট-বড় গাড়িগুলো রাস্তার ওপর রাখায় অর্ধেক রাস্তা জমা গাড়ির দখলে রয়ে গেছে। আবার সেখানেই রাস্তার দুই পাশে চা স্টল, ওষুধের দোকান ও মুদি দোকান। এদিকে শহরের চৌরাস্তা মোড়, কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার মোড়, প্রেসক্লাব চত্বর, বাসস্ট্যান্ড এলাকা, খাদ্যগুদাম মোড় ও বারোয়ারি বটতলা মোড়ে বিশৃঙ্খলভাবে গ্যারেজ করতে দেখা গেছে অটোভ্যান। সঙ্গে ইজিবাইকও রয়েছে। শ্যামল কুমার রজত, বিদ্যুত্ কুমার ঘোষসহ একাধিক ভুক্তভোগী জানান, নিত্যপ্রয়োজনে কাছে ও দূরের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন তাড়াশ সদরে আসে। শহরে বাসস্ট্যান্ড, সিএনজি ও অটোভ্যানের গ্যারেজ না থাকায় রাস্তার ওপরেই সব ধরনের যানবাহন ইচ্ছেমতো রেখে যাত্রী ওঠানো-নামানো হয়। এতে যানজট লেগেই থাকে।

বাসচালক খোকন সরকার, ছাইদুল ইসলাম, সিএনজিচালক গোলাম রাব্বানীসহ একাধিক চালক বলেন, পৌর শহরে নির্দিষ্ট বাসস্ট্যান্ড ও সিএনজি গ্যারেজ না থাকায় তারা বাধ্য হয়ে রাস্তার ওপর গাড়ি রেখে দিচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) মো. ওবায়দুল্লাহ বলেন, বাসস্ট্যান্ড ও সিএনজি গ্যারেজ করার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা খোঁজা হচ্ছে।