নারায়ণগঞ্জে ‘ধর্ষণ ও হত্যার শিকার’ স্কুলছাত্রীর জীবিত ফিরে আসার ঘটনায় হাইকোর্টে রিভিশন মামলা করা হয়েছে। এতে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় করা মামলা এবং মামলা পরবর্তী প্রক্রিয়ার শুদ্ধতা, বৈধতা এবং যৌক্তিকতা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। একই সঙ্গে মামলায় নথি তলবের আবেদন করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ আইনজীবীর পক্ষে গতকাল মঙ্গলবার এ মামলা করেন অ্যাডভোকেট মো. শিশির মনির।
‘?ধর্ষণের পর নদীতে মরদেহ ফেলে দেওয়া স্কুলছাত্রী ৪৯ দিন পর জীবিত প্রত্যাবর্তন’ শীর্ষক শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনটি বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নজরে আনা হয়। তখন হাইকোর্ট আইনজীবী শিশির মনিরকে লিখিতভাবে এ বিষয়ে আবেদন করতে বলেন। এরপর গতকাল এ রিভিশন মামলা করা হয়। এতে হত্যার ঘটনার পর মামলা দায়ের, সেই মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামিদের রিমান্ড ও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আদায়ের বিষয়ে যথাযথ আদেশ দেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে। এদিকে নারায়ণগঞ্জ থেকে স্টাফ রিপোর্টার জানান, স্কুলছাত্রীর জীবিত উদ্ধার ও তিন জনকে গ্রেফতার করে আদালতে তাদের দিয়ে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার ঘটনায় পুলিশ সুপার মো. জায়েদুল আলম কর্তৃক গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে কাজ শুরু করেছে।