গতকাল মঙ্গলবার দৈনিক ইত্তেফাকে ‘শুটিং ফেডারেশনের নামে অস্ত্র এনে বাইরে বিক্রি!’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ করেছেন জাতীয় শুটিং ফেডারেশন মহাসচিব মো. ইনতেখাবুল হামিদ। এক প্রতিবাদলিপিতে তিনি দাবি করেছেন, উক্ত প্রতিবেদনটি সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে করা হয়নি। সামাজিকভাবে ফেডারেশনের মহাসচিবকে হেয়প্রতিপন্ন করতে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, শুটিং ফেডারেশনের নির্বাহী কমিটি ও গঠনতন্ত্রের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ফেডারেশনের সভাপতি একক ক্ষমতাবলে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। তদন্ত কমিটির তদন্তকালীন ফেডারেশনের মহাসচিব ১০ পাতার লিখিত জবাব দাখিল করেন। তার লিখিত জবাব তদন্ত কমিটি বিবেচনায় নেয়নি। তদন্ত কমিটিতে দাখিলকৃত লিখিত জবাব জনসম্মুখে প্রকাশ করা হলে মূল সত্য উদ্ঘাটিত হবে।
প্রতিবাদলিপিতে ইনতেখাবুল হামিদ আরো দাবি করেন, তদন্ত কমিটির রিপোর্টে ঘুষ দেওয়া বা নেওয়ার কোনো অভিযোগ নেই। ২ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়া এবং শুটিং ফেডারেশনের প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকার তহবিল লোপাট হয়েছে বলে প্রতিবেদনে যা বলা হয়েছে তাও সত্য নয় বলে তিনি দাবি করেন। শুটিং ফেডারেশনের নামে বিদেশ থেকে আনা আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলির হিসাব নেই—কথাটিও বানোয়াট। ১০ কোটি টাকা লোপাটের প্রমাণ পেয়েছে—তদন্ত প্রতিবেদনে এমন কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
প্রতিবাদলিপিতে তিনি আরো দাবি করেন, শুটিং ফেডারেশনের তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়গুলো বিকৃত এবং কাল্পনিক। ফেডারেশনের আয়ব্যয়ের নথিপত্র যাচাই এবং পরীক্ষানিরীক্ষার দায়িত্বে থাকে নির্বাহী কমিটি, অর্থ উপকমিটি, কোষাধ্যক্ষ এবং ফেডারেশনের অডিটর। তা সত্ত্বেও ২০১৬-২০১৯ সাল পর্যন্ত ফেডারেশনের আর্থিক কোনো গড়মিলের অভিযোগ হয়নি।