আন্তর্জাতিক যুব দিবস (আইওয়াইডি) উপলক্ষে, জাগো ফাউন্ডেশন গত ২২ আগস্ট একাধিক বিষয় নিয়ে ওয়েবিনারের আয়োজন করে। ইয়ুথ ইন লিডারশিপ, ইয়ুথ ইন ইনোভেশন, ইয়ুথ এনগেজমেন্ট ইন পলিসি, ইয়ুথ ইন ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট, ইয়ুথ ইন এন্টারপ্রেনিয়রশিপ এবং ইয়ুথ ইন আর্ট এন্ড কালচার, মূলত এগুলোই ছিল ওয়েবিনারের প্রধান বিষয়বস্তু।
জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক করভী রাকসান্দ বলেন, যুবকরা সবসময় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং প্রয়োজনের সময় তারাই প্রথমে এগিয়ে আসে। তারা হল চেঞ্জমেকার এবং ভবিষ্যতের দেশ নির্মাতা। বর্তমানে আমাদের জনসংখ্যার ৫০ শতাংশ ২৫ বছরের কম বয়সী এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এটি ৭০ শতাংশে এ পৌঁছে যাবে। এখন আমাদের এই তরুণ মনকে সজ্জিত করার সময় এসেছে, নইলে আগামীতে আমাদের আর উন্নত বাংলাদেশ পাবো না।
তিনি আরো বলেন, আমরা জাগো ফাউন্ডেশনে প্রতি বছর আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপন করি। এ বছর সামাজিক দূরত্ব এবং স্বাস্থ্য সমস্যা ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে আমরা সামাজিক বিকাশের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে এমন একটি ওয়েবাইনার আয়োজন করেছি। সারা দেশ থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছে তরুণদের সাথে এই ওয়েবিনারে।
দেশের বৃহত্তম অবকাঠামো উন্নয়নকারী শিল্পগোষ্ঠী সামিট, এই ইভেন্টের প্রধান পৃষ্ঠপোষক। এর পাশাপাশি আইপিডিসি, আনিসুল হক ফাউন্ডেশন, এসবিকে ফাউন্ডেশন , ক্লুডিও এবং বঙ্গো ওয়েবিনার পার্টনার হিসেবে ছিল।
ইয়ুথ ইন লিডারশিপ" ওয়েবিনারের সংক্ষিপ্তসার
সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক আলোকপাত করেন, কীভাবে ব্যর্থতা থেকে উত্তরণ এবং শিক্ষা নিতে হবে । তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মকে সরকারি কাজের সাথে পরিচিত হওয়া এবং তাদের ইন্টার্নশিপ করা প্রয়োজন যেন তারা আরও দক্ষ কর্মী হিসেবে সামাজিক পরিবর্তনের অংশ হতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কীভাবে দেশের যুবকরা তাদের নিজস্ব সুরক্ষা সম্পর্কে না ভেবে ত্রাণ বিতরণ করে অপরিমেয় সাহস দেখিয়েছে।
সুদীপ্ত মুখার্জি, আবাসিক প্রতিনিধি, ইউএনডিপি বাংলাদেশ, কোভিড পরবর্তী সময়ে যুবকদের কীভাবে নেতৃত্বের দক্ষতা বৃদ্ধি করা যায় এবং কীভাবে তরুণদের স্বাস্থ্যের, বিশেষ করে কীভাবে মানসিক স্বাস্থ্য এর ক্ষেত্রে আরও বেশি মনোযোগী করা যায় কেননা এটি একটি ভাল নেতা হয়ে ওঠার পূর্বশর্ত হিসাবে কাজ করে, সে বিষয়ে আলোচনা করেন।
আম্বারিন রেজা, সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ফুডপান্ডা, বলেন যে লিঙ্গ বৈষম্যের কারণে তার মন্তব্য গুরুত্ব সহকারে নেওয়া হত না। তিনি বলেন, আপনার কাজকে নিজেই প্রমাণ করতে দিন। লিঙ্গ বৈষম্য ভুলে গিয়ে সমাজের জন্য ব্যক্তিরা কী করছে, তাতে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
এজাজ আহমেদ, প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, বিওয়াইএলসি মন্তব্য করেন যে, নেতৃত্ব এমন একটি কাজ যার জন্য ক্ষমতা এবং দায়িত্ব গ্রহণের সক্ষমতা প্রয়োজন। এছাড়াও তিনি বৈচিত্র্যকে সাদরে গ্রহণ এবং একত্রে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। ওয়েবিনারটিতে সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন করভী রাকসান্দ, প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক, জাগো ফাউন্ডেশন।
ইয়ুথ ইন ইনোভেশন ওয়েবিনারের সংক্ষিপ্তসার
সোনিয়া বশির কবির, প্রতিষ্ঠাতা, এসবিকে ফাউন্ডেশন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আগে থেকেই প্রস্তুত হওয়া প্রয়োজন, গবেষণাতে গুরুত্ব এবং বিকাশের জন্য মনোনিবেশ করার। বিদ্যমান প্রযুক্তির উপর নির্ভর না করে সমস্যা সমাধানের নতুন উপায় সরবরাহে যুবকদেরকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।
মোমিনুল ইসলাম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও, আইপিডিসি ফিন্যান্স উল্লেখ করেন যে প্রচুর লোক নতুন নতুন ধারণা নিয়ে কথা বলেন তবে কার্যকর করার সময় এটি ব্যর্থ হয়। সুতরাং, যুবকদের তাদের উদ্ভাবনী ধারণাগুলি কার্যকর করতে সহায়তা করার জন্য যথাযথ সুযোগ দেওয়া উচিত।
আয়মান সাদিক, প্রতিষ্ঠাতা ও চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, রবি টেন মিনিট স্কুল, আরও যোগ করেন যে, চার বছরের স্নাতক প্রোগ্রামের মতো প্রযুক্তিগত এবং কারিগরি দক্ষতার সমান গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন।
তাজদিন হাসান, চিফ মার্কেটিং অফিসার, ডেইলি স্টার, চারটি বিষয় সম্পর্কে কথা বলেছেন যেগুলো তরুণদের উদ্দেশ্যকে চালিত করবে – ১. স্বপ্নগুলো অনুসরণ করা, ২. উদ্ভাবক হওয়ার জন্য নৈতিকতা, ৩. মূল্যবোধ, সাহস, আবেগ এবং ৪. কৌতূহল নিয়ে জীবন উপভোগ করা। উদ্ভাবনের অর্থ বিঘ্নিত উদ্ভাবন নয়, এর অর্থ বিদ্যমান উদ্ভাবনের সাথে মান যুক্ত করা। ওয়েবিনারটিতে সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন তানজিম ফেরদৌস, ন্যাশনাল কন্সালট্যান্ট, জাতিসংঘ।
ইয়ুথ এনগেজমেন্ট ইন পলিসি ওয়েবিনারের সংক্ষিপ্তসার
ব্যারিস্টার শাহ আলী ফরহাদ, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বলেন যে, যুবসমাজের সাথে সংশ্লিষ্টতার মাধ্যমে তাদেরকে আরও ভালভাবে বুঝতে হবে এবং তাদের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে আমরা তাদের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে এবং তাদেরকে আরও মানবতার কাজে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে পারবো।
নবনীতা চৌধুরী, পরিচালক, প্রিভেন্টিং ভায়োলেন্স এগেইনস্ট উইম্যান ইনিশিয়েটিভ, ব্র্যাক, যুবকদের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার বিষয়ে বলেছেন যাতে তারা কাজ করার পদ্ধতিগত উপায় জানতে পারে। যুবকরা বিভিন্ন বাঁধার মুখোমুখি হয় যেমন লৈঙ্গিক, ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি। আমাদের তাদের সেই প্রতিবন্ধকতাগুলো নির্বিশেষে কাটিয়ে উঠতে তাদের সহায়তা করা দরকার।
সাইদ আহমেদ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, আইআইডি যোগ করেন যে, গণতান্ত্রিক হওয়ার জন্য যুবসমাজকে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
শাহাব এনাম খান, অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, সমাজ ও সম্প্রদায়কে কী সঠিক এবং কী ভুল তা সম্পর্কে সামগ্রিকভাবে শিক্ষিত করার এবং সে অনুযায়ী কাজ করার বিষয়ে বলেছিলেন। যেহেতু যুবসমাজই এদেশের ভবিষ্যৎ, তাই পরিবর্তন ঘটানোর জন্য তাদেরকেই দায়িত্ব নিতে হবে। ওয়েবিনারটিতে সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন আরিফ আর হোসেন, কো-ফাউন্ডার, আমরাই বাংলাদেশ।
ইয়ুথ ইন ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট ওয়েবিনারের সংক্ষিপ্তসার
শাহীন আনাম, নির্বাহী পরিচালক, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশের যুব সমাজের প্রশংসা করে বলেছেন যে, “যুব সমাজ নিরলসভাবে দেশের এই দুর্যোগকালীন সময় মোকাবিলায় অংশ নিয়েছে এবং তাদের এই কাজ প্রচার করা উচিত।
ডা. আবদুন নূর তুষার, চিকিৎসক ও মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট, দুর্যোগ মোকাবিলায় সিপিআরের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণে যুবকদের প্রশিক্ষিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন যে, প্রয়োজনের সময় তারা স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে আরও আত্মবিশ্বাসী হতে পারে এবং এই ক্ষেত্রে সরকার কীভাবে অবকাঠামো সরবরাহ তৈরি করতে পারে এবং কীভাবে একটি তথ্যভাণ্ডার তৈরি করতে পারে, তাও তিনি উল্লেখ করেছিলেন।
ফারাহ কবির, কান্ট্রি ডিরেক্টর, অ্যাকশন এইড, বাংলাদেশের প্রবীণরা যুবকদের নেতৃত্বের সুযোগ দিতে প্রস্তুত কিনা সে বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি মতামত দিয়েছিলেন যে আমাদের স্বজনপ্রীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে এবং নারীদের এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করতে হবে।
জাকির হোসেন, ফিন্যান্স সেক্রেটারি, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন, আলোচনা করেন যে ,তরুণ সমাজ বিভিন্ন ফরমালিটিস মেনে কাগজপত্র তৈরি করতে আগ্রহী নয় বরং তারা ফলাফল দৃশ্যমান হবে এমন কাজে আগ্রহী।
ওয়েবিনারটিতে সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন টনি মাইকেল গমেজ, টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম ডিরেক্টর, ওয়ার্ল্ড ভিশন।
ইয়ুথ ইন এন্টারপ্রেনিয়রশিপ ওয়েবিনারের সংক্ষিপ্তসার
সিফাত সরোয়ার, কো-ফাউন্ডার ও সিওও, শপ আপ বাংলাদেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই উদ্যোক্তা হওয়া একটি কঠিন মনোনয়ন। এমন সময় আসবে যখন আপনার আর্থিক সংকট হতে পারে এবং আপনাকে এটি গ্রহণ করে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি অন্য কারও কাছ থেকে কোন প্রত্যাশা না রাখারও পরামর্শ দেন এবং এই বিষয়ে বলেন, আপনাকে সমর্থন করবে এমন একমাত্র ব্যক্তি হলেন আপনি নিজেই।
রুবাবা দৌলা, প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পালস হেলথ কেয়ার সার্ভিস, একই সুরে বলেন সামাজিক কুসংস্কারকে কেন্দ্র করে মহিলা উদ্যোক্তাদের নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, দেশের মোট উদ্যোক্তাদের ৪৮ শতাংশ হচ্ছে নারী। তরুণদের উদ্দেশ্যে তার পরামর্শ দেন নিজেকে বিশ্বাস করা এবং সকল মানসিক বাধা ভেঙে সাফল্য অর্জনের জন্য এগিয়ে যেতে।
হুসেন ইলিয়াস, সহ-প্রতিষ্ঠাতা, পাঠাও, শুধুমাত্র অর্থ উপার্জনের জন্য স্টার্ট আপে যোগ না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। যেখানে একজনকে প্রচণ্ড মানসিক চাপের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। তিনি প্রশিক্ষণ এবং বিশ্লেষণাত্মক চিন্তাধারার গুরুত্ব সম্পর্কে বলেছিলেন যা স্কুল ও কলেজগুলোতে শেখানো হয় না। এটি ইন্টারনেট এবং অন্যান্য উৎস থেকে নিজেদেরই শিখতে হবে।
কিশোয়ার হাশিমি, সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও, ক্লুডিও তরুণ উদ্যোক্তা হিসেবে একজনকে কী কী ধরণের প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়, সেগুলোর ওপরেই বিশেষভাবে আলোকপাত করেন। তিনি এও বলেন যে, ভালো উদ্যোক্তা হতে হলে একজনকে অবশ্যই নতুন কিছু শিখে যেতে হবে। লক্ষ্য পূরণের উদ্দেশ্যে কোনো অবস্থাতেই হাল না ছেড়ে দেয়ার সংকল্পবদ্ধ থাকাকে জরুরী বলে তিনি মনে করেন।
ওয়েবিনারটিতে সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন তানজিম ফেরদৌস, ন্যাশনাল কন্সালট্যান্ট, জাতিসংঘ।
ইয়ুথ ইন আর্ট এন্ড কালচার ওয়েবিনারের সংক্ষিপ্তসার
রাজিব সামদানি এবং নাদিয়া সামদানি, সামদানি আর্ট ফাউন্ডেশনের দুজন স্বত্বাধিকারী ব্যাখ্যা করেন, যখন শুরু করেন সেই সময় শিল্পকলা এবং এর প্রদর্শনীর জন্য তেমন কোনো প্ল্যাটফর্মই বাংলাদেশে ছিল না এবং তাদের যাত্রার মধ্য দিয়ে কীভাবে ঢাকা আর্ট সামিট দেশের শিল্পীদের নিজ নিজ শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর মাধ্যমে বিশ্বদরবারে নিজেকে এবং দেশকে তুলে ধরার একটি মাধ্যমে পরিণত হয়েছে, সেটিই ছিল তাদের বক্তব্যের মূল বিষয়বস্তু।
জন কবির, রক মিউজিশিয়ান কথা বলেন বর্তমানে বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে আসা পরিবর্তন নিয়ে। তিনি বিশ্বাস করেন শিল্পকে ভালোবাসা ছাড়া একজন ভালো শিল্পী হওয়া সম্ভব নয়। অন্যদিকে পুরোপুরি ব্যবসায়িক স্বার্থে শিল্পকে ব্যবহার করে বেশি দূরে এগোনোও অসম্ভব।
এলিটা করিম, সাংবাদিক ও গায়িকা, ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে কর্মক্ষেত্রে একজন নারী সাংবাদিককে চ্যালেঞ্জিং কোনো প্রজেক্টে কাজ করা থেকে বঞ্চিত রাখা হয়, শুধুমাত্র সে একজন নারী বলে। তিনি এও ব্যাখ্যা করেন বর্তমানে নারীরা কীভাবে এই পুরানো রীতির বিরুদ্ধে লড়াই করে সংবাদমাধ্যমে সাহসী সব কাজ করে চলেছেন।
আশফাক নিপুন, লেখক ও পরিচালক বলেন, বাংলাদেশের মিডিয়া বর্তমানে একটি পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে উঠেছে সৃজনশীলতা চর্চার প্রধান কেন্দ্র, যা একটি ভালো শিল্পী তৈরির ক্ষেত্রে একটি বড় বাঁধা বলে তিনি মনে করছেন। তিনি তার বক্তব্যে লেখালেখি এবং বিষয় নির্বাচনকে যেকোনো সৃজনশীল সৃষ্টির সবচেয়ে বড় নিয়ামক বলে উল্লেখ করেছেন।
দিনের এই শেষ ওয়েবিনারটি পরিচালনা করেন টনি মাইকেল গোমেজ, টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম ডিরেক্টর, ওয়ার্ল্ড ভিশন।
ইত্তেফাক/ইউবি