লাল ডোল পিঁপড়া স্থানীয়ভাবে যা মানজাইল নামে পরিচিত। বরশী দিয়ে মাছ ধরার টোপ হিসাবে এ পিঁপড়ার ডিম ব্যবহার হয়ে থাকে। শৌখিন মাছ শিকারিরা এর প্রধান ক্রেতা। দীর্ঘদিন ধরে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এক শ্রেণির মানুষ অবাধে এসব ডিম বিক্রি করে আসছে।
স্থানীয় কয়েকজন জানান, মাছ ধরার মৌসুমে প্রতি কেজি পিঁপড়ার ডিম বিক্রি হয় ৬ হাজার টাকা কেজি দরে। অবাধে এসব ডিম সংগ্রহ করার ফলে উপজেলার লাল ডোল পিঁপড়া আগের মতো এখন আর দেখা যায় না। লাল ডোল পিঁপড়া সাধারণত আম, জাম, কাঁঠাল, গজারি, সেগুনসহ প্রভৃতি গাছে ৪/৫টি করে বাসা বাধে। ফুলবাড়ীয়া উপজেলার, এনায়েতপুর, কালাদহ, বাকতা, রাঙামাটিয়া, নাওগাঁও পাহাড়ী ইউনিয়নগুলোতে এসব পিঁপড়ার বাসা বেশি দেখা যায়। প্রতিটি বাসায় ১০০ গ্রাম থেকে ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত ডিম পাওয়া যায়। চৈত্র, বৈশাখ, আষাঢ়, জ্যৈষ্ঠ মাসে এরা ডিম পাড়ে।
স্থানীয় কৃষিবিদ মোতালেক হোসেন জানান, পিঁপড়া প্রকৃতির সহায়ক। পিঁপড়ার ডিম অবাধ নিধন বন্ধ করা না হলে পরিবেশ হুমকির মুখে পড়বে।
ফুলবাড়ীয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল ছিদ্দিক জানান, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের বিষয়টির প্রতি নজর দেওয়া জরুরি। তিনি আরো বলেন, অবাধ নিধন পরিবেশের জন্য যেমন হুমকি তেমনি পিঁপড়ার বংশ বিস্তারে প্রধান বাধা।