করোনার কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের পাশাপাশি দেশেও পণ্য ও সেবার জোগান ও চাহিদা মারাত্মক ব্যাহত হয়েছে। এখন পণ্যের জোগান বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। তবে অর্থনীতির ভারসাম্য রক্ষা তথা অর্থনীতি চাঙ্গা করার স্বার্থে চাহিদা বৃদ্ধিতে মনোযোগ দিতে হবে। এজন্য মানুষের হাতে তারল্য বাড়ানোর উপায় খোঁজার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সের উদ্যোক্তা অর্থনীতি বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত অনলাইনভিত্তিক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেন। ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সের উদ্যোক্তা অর্থনীতি বিভাগের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলীর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থনীতিবিদ ও পল্লি কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ। ‘নিউ নরমাল এবং কোভিড-১৯ : অর্থনীতিতে এর প্রভাব, ব্যবসায়ের কৌশল এবং সরবরাহ চেইনের ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক দিনব্যাপী ঐ সম্মেলনের তিনটি কর্মঅধিবেশনে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের অর্থনীতিবিদরা তাদের মতামত তুলে ধরেন। ‘নিউ নরমাল এবং কোভিড-১৯ : অর্থনীতিতে এর প্রভাব, ব্যবসায়ের কৌশল এবং সরবরাহ চেইনের ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক দিনব্যাপী ঐ সম্মেলনের তিনটি কর্মঅধিবেশনে বক্তব্য দেন মেক্সিকো ইউনিভার্সিটি অব গাডালাজারের অধ্যাপক জোশে জি ভারগাস হারনান্দেজ, আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব সভেরিন ন্যাশন্সের অধ্যাপক ড্যারেল ম্যাকার, টেক্সাসের ইউনিভার্সিটি অব হাউস্টন ডাউনটাউনের অধ্যাপক আনিসুল এম ইসলাম, অস্ট্রেলিয়ার সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড ইউনির্ভার্সিটির অধ্যাপক সারদানা খান, থাইল্যান্ডের রাংসিট ইউনিভার্সিটির সুথাসিনি ক্রাইয়ানিক, ভারতের ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের সহযোগী অধ্যাপক ড. ইয়াশোডা কৃষ্ণ, ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সের সহকারী অধ্যাপক সারা তাসনীম প্রমুখ।