নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সরকার চায় না খেয়ালিপনার কারণে পদ্মা সেতুর কর্মকাণ্ড ব্যাহত হোক, ক্ষতিগ্রস্ত হোক। যে কারণে পদ্মা সেতুর নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনা এড়াতে সন্ধ্যা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। রাতে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকবে। গতকাল শনিবার দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, পদ্মায় অতিরিক্ত সে াতের মধ্যে সেতুর কাজ চলছে। সে াতের কারণে পদ্মা সেতুতে স্প্যান বসানো যাচ্ছে না। ফেরিগুলো চরে গিয়ে আটকে যাচ্ছে। রাতে যদি ফেরি চালু থাকে তাহলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে। সরকার চায় না পদ্মা সেতুর কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হোক। যে কারণে সেতুর নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনা এড়াতে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত ফেরি চলাচল বন্ধ থাকবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনা সংক্রমণ রোধে সমুদ্রবন্দর, নৌবন্দর, লঞ্চ, খেয়াঘাটসহ সব জায়গায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যাত্রীসাধারণকে সতর্ক করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ ও প্রচারণা চালানো হয়েছে।
এর আগে, প্রতিমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শাহাদতবরণকারী সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান, বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান খাজা মিয়া, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর আবু জাফর জালালউদ্দিন, গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চৌধুরী এমদাদুল হক, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রতিমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত টুঙ্গিপাড়ার পাটগাতী লঞ্চঘাট পরিদর্শন করেন।