সিলেট ও বরগুনায় সড়ক দুর্ঘটনায় চার জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে সিলেটে বাস-সিএনজি অটোরিকশা সংঘর্ষে তিন জন নিহত এবং বরগুনায় বাস-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক জন নিহত ও অপর ১০ জন আহত হয়। সিলেট অফিস জানায়, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গোলাপগঞ্জের চৌঘরী বাজারে সিলেট থেকে বড়লেখাগামী (সিলেট-গ ১১-০০৩৫) একটি বাসের সঙ্গে গোলাপগঞ্জের রানাপিং বাজার থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা একটি সিএনজি অটোরিকশার (সিলেট-থ ১১-৪১৫৩) মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই এক জনের মৃত্যু ঘটে। গুরুতর আহত পাঁচ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরো দুই জনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন, রানপিং এলাকার ফাজিলপুর গ্রামের মৃত আকরিম আলীর ছেলে অটোরিকশা চালক বাহার উদ্দিন এবং উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের হাজিপুর-লরিপুর গ্রামের লাল মিয়া। নিহত অপর এক জনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। গুরুতর আহত তিন জনকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এদের মধ্যে জাকারিয়া নামের এক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এদিকে বরগুনা (উত্তর) প্রতিনিধি জানান, গতকাল শনিবার দুপুরে আমতলী-কলাপাড়া সড়কের ছুরিকাটা সৈকত ফিলিং স্টেশনের সামনে বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক খলিলুর রহমান চৌকিদার নিহত এবং ১০ বাসযাত্রী আহত হয়। গুরুতর আহত তিন জনকে উন্নত চিকিত্সার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জানা যায়, খলিলুর রহমান মোটরসাইকেলে পেট্রোল ভরে সড়কে উঠার সময় দ্রুতগতির একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় মোটরসাইকেলটি বাসের নিচে চাপা পড়ে এবং বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল চালক খলিলুর রহমান নিহত ও বাসের ১০ যাত্রী আহত হয়। বাসচালক, হেল্পার ও সুপারভাইজার পালিয়ে গেলেও পুলিশ ঘাতক বাসটি আটক করে। নিহত খলিল কলাপাড়া উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের কানাইমৃধা গ্রামের মোতালেব চৌকিদারের ছেলে।