‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার মাধ্যমে কুচক্রীমহল চেয়েছিল বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটিকে গলা টিপে হত্যা করতে। ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং তারা আমাদের মধ্যেই আছে। আমাদের সকলকে সজাগ থাকতে হবে।'
২৯ আগস্ট শনিবার বিকাল ৪টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন সভার প্রধান অতিথি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস শুরু হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীরা অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ করছে। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এইসময়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রাখা দরকার। তাদের শিক্ষাজীবন যেন কোনভাবেই ব্যর্থ না হয় সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ শিক্ষকদের দায়িত্ব রয়েছে।
মন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রান্তিক গরীব ছাত্র-ছাত্রীরাও যাতে অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারে সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও প্রয়োজনীয় সুবিধা প্রদানের চেষ্টা করতে বলেন।
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোঃ আসাদুজ্জামান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তাহের এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা সচিব বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা শুধু কতিপয় বিপথগামী গোষ্ঠীর চক্রান্তই নয় এটি একটি সুপরিকল্পিত গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। তিনি আরও বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের চর্চা করতে হবে এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষকবৃন্দরাও শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোঃ আসাদুজ্জামান বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের জাতির পিতাসহ সকল শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং ওই ঘটনার সকল খুনি, ষড়যন্ত্রকারী ও বিশ্বাসঘাতকদের মুখোশ উন্মোচন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
শোক সভার সভাপতি উপাচার্য প্রফেসর ড. এমরান কবির চৌধুরী বলেন, 'বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর একক নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে।'
শিক্ষা পরিবারের দুই জন অভিভাবক মন্ত্রী এবং সচিব আলোচনা সভায় উপস্থিত থাকায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
ইত্তেফাক/এমআরএম