পুরুষ টেনিস খেলোয়াড়দের সংগঠন ‘এটিপি প্লেয়ার্স কাউন্সিল’ই ছিল এতদিন খেলোয়াড়দের ভালোমন্দ দেখার সর্বোচ্চ সংস্থা। তা থেকে বেরিয়ে এসে ‘টেনিস প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন’ নামে নতুন সংগঠন গড়ার উদ্যোগ নিয়েছেন নোভাক জকোভিচ। এরপর পড়েছেন রাফায়েল নাদাল ও রজার ফেদেরারের তোপের মুখে।
এর আগে এটিপি প্লেয়ার্স কাউন্সিলের সভাপতির পদে ছিলেন জকোভিচ। কিন্তু নতুন সংগঠনটি গড়ার লক্ষ্যে পদটি ছাড়েন তিনি। টেনিস প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন গড়ার উদ্দেশ্য গ্র্যান্ড স্ল্যাম থেকে হওয়া আয়ে বড় ভাগ পাওয়া ও খেলোয়াড়দের আরো বেশি শক্তিশালী করা। এটির উত্থান ও এটিপি থেকে জকোভিচের বেরিয়ে যাওয়ায় শঙ্কা ছিল সঙ্ঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টির। তবে জকোভিচ সেসব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন।
সম্প্রতি ওয়েস্টার্ন-সাউদার্ন ওপেন জেতার পর বলেছেন, ‘এটিপি একে মনে করছে দুটো সংগঠন একই সঙ্গে বিদ্যমান থাকতে পারে না। আইনত, খেলোয়াড়দের সংগঠন করার সুযোগ আমাদের আছে। আমরা কোনো প্রকারের বয়কটের ডাক দিচ্ছি না, এটিপির সঙ্গে সাংঘর্ষিক সফরও আয়োজন করছি না। আমরা নিশ্চিতভাবেই এটিপি ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সঙ্গে মিলেই কাজ করার চেষ্টা করব।’এদিকে একে ভাঙন হিসেবে দেখে নাদাল এর বিরুদ্ধাচরণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেন, ‘এখন সময়টা ঐক্যের, বিভাজনের নয়। এমন সময় আসে যখন ঐক্য থেকেই বড় অর্জনের সোপান রচিত হয়।’
ফেদেরার তার কথায় সায় দিয়ে বলেন, ‘সহমত। এখন সময়টা অনিশ্চয়তা আর চ্যালেঞ্জের। আমি বিশ্বাস করি খেলোয়াড়দের ঐক্যবদ্ধ থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। খেলার দিক থেকে ভাবলে এটাই ভবিষ্যতটাকে আরো সুন্দর করে তুলবে।’
এদিকে ব্রিটিশ তারকা অ্যান্ডি মারে এতে এখনো যোগ না দিলেও সংহতি প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতে নারী টেনিস তারকাদেরও অন্তর্ভুক্ত করারও দাবি জানান তিনি।