ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ইউটার্নগুলো বিপজ্জনক

সম্প্রতি ভালুকায় ইউটার্নে মারা গেল একই পরিবারের ছয়জন। গাড়িটি দুমড়েমুচড়ে গেছে একেবারে। বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়িটি দেখতেই পায়নি অথবা এ গাড়টিই দ্রুত যেতে চেয়েছিল। ফলাফল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! সড়ক দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ইউটার্নগুলো। রাস্তার মাঝের ডিভাইডারগুলোতে অনেক গাছ থাকায় দূর থেকে অনেক সময় গাড়ি দেখা যায় না। আবার আরেকটি সমস্যা হলো—হঠাত্ করেই গাড়ি টার্ন নিয়ে নেয়, যার ফলে দ্রুত গতিতে বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়ি দেখতে পায় না সামনের গাড়ি।

ইউটার্নের আগে এবং পরে অনেকগুলো কাজ করতে হবে। তার মধ্যে প্রথমেই বলতে হয় ইউটার্নের জন্য আলাদা লেনের কথা। যেখানে ইউটার্ন থাকবে—প্রায় ১০০ গজ আগে থেকেই গাড়িগুলো আলাদা লেনে ঢুকে পড়বে এবং আস্তে আস্তে ইউটার্ন করবে। গাছগুলো রাখতেই হবে, তবে নিচের ডালপালাগুলো কেটে দিতে হবে যাতে দূর থেকে দেখা যায়। লাইটিং পয়েন্টের ব্যবস্থাও করা যেতে পারে। গাড়ির গতি আগে থেকেই কমানোর জন্য আইল্যান্ডও দিতে হবে ইউটার্নের আগে। সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধে সিসিটিভি ক্যামেরা ও স্পিড মিটার স্থাপন করতে হবে, যাতে গতির সীমা না মানলে গাড়িগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। ট্রাফিক সিস্টেমে ট্রাকিং সিস্টেম চালু করতে না পারলে দুর্ঘটনা বন্ধ করা অসম্ভব। দ্রুত এ ব্যবস্থাগুলো নেওয়া প্রয়োজন ঢাকা- ময়মনসিংহ সড়কে। এ ব্যাপারে সড়ক জনপথ বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

সাঈদ চৌধুরী, শ্রীপুর, গাজীপুর