দুই দেশের মধ্যে কথিত ঐতিহাসিক চুক্তি হওয়ার দুই বছর আগেই গোপনে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে গিয়েছিলেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ২০১৮ সালের ঐ সফরে তিনি আমিরাতের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে সাক্ষাত্ করেন। সম্প্র্রতি ইসরাইলি সংবাদপত্র ইদিওথ অহরনোথের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পত্রিকাটিকে তাদের কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, নেতানিয়াহু ও মোহাম্মদ বিন জায়েদের বৈঠকটি খুবই ভালো পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এর ধারাবাহিকতায় এক বছর পর ওয়াশিংটনে আবারও বৈঠক হয় ইসরাইল-আমিরাতের শীর্ষ কর্মকর্তা ও কূটনীতিকদের মধ্যে। ঐ বৈঠকে ইসরাইলের প্রধান নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেয়ার বেন-শাব্বাত এবং যুক্তরাষ্ট্র ও আমিরাত সরকারের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ইদিওথ অহরনোথের প্রতিবেদন অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত রন ডারমার ইসরায়েল-আমিরাত চুক্তিতে দুই পক্ষের সমঝোতায় বড় অবদান রেখেছেন। পত্রিকাটির এ প্রতিবেদনের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইসরাইল সরকার। তবে গত কয়েক বছরে আরব বিশ্বের মুসলিম নেতাদের সঙ্গে গোপনে একাধিক বৈঠক হওয়ার কথা জানিয়েছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নিজেই। গত সোমবার ইসরায়েল-আমিরাতের মধ্যে প্রথম বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু হওয়া উপলক্ষ্যে আবুধাবিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘আমি আরব এবং মুসলিম বিশ্বের অনেক নেতার সঙ্গে সাক্ষাত্ করেছি—আপনারা যা ভাবছেন তার চেয়েও বেশি। আমি এখন এর বেশি বলতে পারব না। তবে আমার বিশ্বাস, সেগুলো ঘটনাক্রমে সামনে চলে আসবে।’