শ্রীলঙ্কায়ও একাদশে থাকবে তিন পেসার

শ্রীলঙ্কা সফরে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ। করোনার কারণে দলে থাকবেন প্রায় ২২ ক্রিকেটার। যেখানে ছয় জন পেসার থাকবেন বলে আভাস দিয়েছিলেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। জাতীয় দলের আশপাশে থাকা সব পেসারই এখন ফিট অবস্থায় আছেন। তাই দলে জায়গা পেতে পেসারদের মধ্যে দারুণ একটা লড়াই হবে, এটুকু নিশ্চিত।

টেস্ট দলের নিয়মিত মুখ আবু জায়েদ রাহী, এবাদত হোসেন থাকছেন লঙ্কা সফরে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজের দলে থাকা মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ বিবেচনায় থাকছেন। এর বাইরে পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে টেস্ট দলে পেতে চান নির্বাচকরা। রুবেল হোসেন, শফিউল ইসলামরাও মুখিয়ে আছেন দলে জায়গা পেতে। দেশের বাইরে সাধারণত টেস্টের একাদশে তিন পেসার খেলায় বাংলাদেশ। সর্বশেষ রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে আবু জায়েদ রাহী, এবাদত হোসেন ও রুবেল হোসেন খেলেছিলেন। শ্রীলঙ্কা সফরেও একাদশে তিন পেসার রাখা হতে পারে। প্রধান নির্বাচকের মতে, তিন পেসার খেলার সামর্থ্য আছে বাংলাদেশের।

খসড়া সূচি অনুযায়ী শ্রীলঙ্কা সফরে ক্যান্ডিতে দুই টেস্ট ও কলম্বোতে তৃতীয় টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। লঙ্কায় বাংলাদেশের একাদশে তিন পেসার থাকবে কি না, জানতে চাইলে গতকাল মিনহাজুল আবেদীন নান্নু সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখন কিন্তু কিছু পেস বোলার আছে যাদের আমরা টেস্ট ক্রিকেটের জন্য তৈরি করে রাখছি। চার-পাঁচ জনের একটা তালিকা করা আছে। সেখান থেকেই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেলানো হচ্ছে। টিম কম্বিনেশনের কারণে আমাদের এখানে দুই জন পেসার খেলে থাকে উপমহাদেশে। বাইরে গেলে আমরা তিন জন পেসারের কথাই চিন্তা করি।’

সাদা পোশাকে তিন পেসার খেলাতে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ। প্রধান নির্বাচক বলেছেন, ‘টিম ম্যানেজম্যান্টের সঙ্গে বসে এই কম্বিনেশনটা ঠিক করা হবে। তারপরও আমি মনে করি আমাদের যে পেস বোলাররা আছে, সেই সামর্থ্য আছে তিন জন পেসার নিয়ে খেলার। সেই আত্মবিশ্বাস আমাদের আছে।’

শ্রীলঙ্কা চূড়ান্ত না করলেও ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইন করতে হবে ধরেই কাজ করছে বিসিবি। তিন টেস্টের জন্য প্রাথমিক দলটা হওয়ার কথা ছিল ৩৮ জনের। যদিও এখন ২৮ জনকে নিয়ে অনুশীলন শুরু হতে পারে। এমনটাই জানিয়েছেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের চেয়ারম্যান আকরাম খান। করোনাকালে বিসিবির ব্যবস্থাপনায় সারা দেশে অনুশীলন করছেন ৩৮ ক্রিকেটার। তাদের নিয়েই হবে লঙ্কা সফরের চূড়ান্ত স্কোয়াড।