গজারিয়ায় অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়েরের প্রায় দুই মাস পর নবম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থেকে উদ্ধার করেছে গজারিয়া থানাপুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রানা নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মাদ্রাসাছাত্রীর নাম সুমাইয়া আক্তার। সে উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের শিমুলিয়া গ্রামের মজনু মিয়ার মেয়ে। মাদ্রাসাছাত্রীর স্বজনরা ঘটনাটিকে অপহরণ বললেও উদ্ধার হওয়া ছাত্রী জানিয়েছে, ‘অপহরণ নয় , প্রেমের টানে বাড়ি ছেড়েছি।
উদ্ধার হওয়া মাদ্রাসাছাত্রীর বাবা মো. মজনু মিয়া জানান, তার মেয়ে গত পহেলা জুলাই বাড়ি থেকে চরবাউশিয়া তার মামার বাড়িতে বেড়াতে যায়। ঐদিনই চরবাউশিয়া গ্রাম থেকে নিখোঁজ হয় সে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তার সন্ধান না পেলে পরদিন গজারিয়া থানায় অপহরণ মামলা করেন তিনি। মামলার সূত্র ধরে পুলিশ নিখোঁজ ছাত্রীর সন্ধান পেতে অভিযান শুরু করে। দুই মাস পর গতকাল মোবাইল ট্র্যাকিং করে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা থেকে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা থানাপুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের মহসিন সরকারের ছেলে রানা সরকারকে আটক করা হয়েছে। গজারিয়া থানার ওসি ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, ঐ ছাত্রীর মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর পাশাপাশি আটক রানাকে জেলহাজতে পাঠানো হবে।