২০২১-এর মাঝামাঝি বা জুনের আগে মহামারি করোনার ভ্যাকসিন ব্যাপক হারে বাজারে আসার সম্ভাবনা কম। গতকাল শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। সংস্থার মুখপাত্র মার্গারেট হ্যারিস বলেন, ‘যে সব ভ্যাকসিন এখনো পর্যন্ত ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হয়েছে করোনা মোকাবিলায় তা কতটা সফল হবে সে বিষয়ে কোনো সংস্থাই স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়নি। তাই চূড়ান্তভাবে বাজারে আসার আগে সেই সব ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা এবং সেগুলো কতটা নিরাপদ তা আরো ভালোভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
গত আগস্টে রাশিয়া করোনার ভ্যাকসিন প্রয়োগের অনুমতি দেওয়ার পর থেকেই বিশ্ব জুড়ে নানা মহলে এর বিশ্বাসযোগ্যতা এবং নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবারই মার্কিন জনস্বাস্থ্য দপ্তরের এক সূত্র এবং ফাইজার সংস্থা জানায়, অক্টোবরের শেষেই প্রতিষেধক সরবরাহ করা হবে। মার্গারেট বলেন, ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্বের পরীক্ষা একটা দীর্ঘ সময় নিয়ে করা উচিত। কারণ আমাদের জানতে হবে সেই ভ্যাকসিন আদৌ করোনা মোকাবিলা করতে সক্ষম কি না বা নিরাপদ কি না।
মার্গারেট আরো বলেন, করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে যা যা পরীক্ষা হচ্ছে তা জানানো প্রয়োজন। তুলনা করার প্রয়োজন রয়েছে। অনেক মানুষকে কোভিড ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা জানতেই পারিনি আদৌ সেই ভ্যাকসিন কাজ করেছে কি না বা নিরাপদ কি না। —আনন্দবাজার পত্রিকা