করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে একটি সংলাপে যোগ দিয়ে মহামারি থেকে সৃষ্ট নানা সংকট মোকাবিলায় উদ্যোগী হওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছেন তরুণরা। গতকাল শুক্রবার ইয়াং বাংলা আয়োজিত ‘লেটস টক’ নামে ভার্চুয়াল সংলাপের উদ্বোধনী পর্বে অংশ নিয়ে তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন আইনপ্রণেতারা। নবনীতা চৌধুরীর উপস্থাপনায় এ পর্বে বিদ্যুত্, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু ও সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক উপস্থিত ছিলেন।
শিশু স্বাস্থ্য গবেষণা ফাউন্ডেশনের গবেষক সেঁজুতি সাহা, বাংলাদেশ নারী টি-২০ দলের অধিনায়ক সালমা খাতুন ও ২০১৮ সালে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী শাকিলা ইসলামও ছিলেন। লেটস টকের পার্টনারদের মধ্যে সামদানী আর্ট ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি রাজীব সামদানী, বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টারের প্রেসিডেন্ট এজাজ আহমেদ, জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা করভী রাখসান্দ ও জেসিআই বাংলাদেশের সভাপতি সারাহ কামাল অংশ নেন। শুরুতে ইয়াং বাংলার সদস্যরা করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে তাদের নানা কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন। মাঠে নামা তরুণদের স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে প্রশিক্ষণের সঙ্গে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টিতে পরামর্শ দেওয়ার কথা জানান তারা।
গবেষক সেঁজুতি সাহা বলেন, ‘আমরা এখন সবাই ভ্যাকসিন নিয়ে কথা বলছি। কিন্তু এই ভ্যাকসিন এলেই সবকিছুর সমাধান হয়ে যাবে আসলেই কি তাই? যে দেশে ভ্যাকসিন কাভারেজ প্রায় ৯৫ শতাংশ, সেখানে এখন করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে ভ্যাকসিন কাভারেজ ব্যাহত হচ্ছে।’
নসরুল হামিদ বিপু বলেন, ‘করোনা ভাইরাস মহামারির নানা সংকট তরুণরা কীভাবে ফেইস করছে, তাদের কার্যক্রমগুলো কীভাবে পরিচালনা করছে বা এ অবস্থায় তাদের আদেশ উপদেশ কী তা এই লেটস টকের আলোচনায় উঠে আসবে। আমরা তাদের পরামর্শগুলো নিয়ে পলিসি মেকার ও আইনপ্রণেতাদের কাছে যাব।’ শুক্রবার রাত ৯টায় প্রথম দিনের দ্বিতীয় পর্বের লেটস টকে কোভিড মোকাবিলায় তরুণদের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়।
শুক্র থেকে রবি—এই তিন দিনে লেটস টকের এই সাতটি পর্ব হবে। তৃতীয় দিন সমাপনী পর্বে বক্তব্য দেবেন সূচনা ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন এবং ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) দূত সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল।
দেশের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে তরুণদের সেতুবন্ধ গড়ে দিতে ২০১৪ সাল থেকে ইয়াং বাংলা ‘লেটস টক’ শিরোনামে এ আয়োজন করে আসছে।