এই ম্যাচও হারা যায়!

সংক্ষিপ্ত

স্কোর

টস :অস্ট্রেলিয়া

ইংল্যান্ড :২০ ওভারে ১৬২/৭ (বাটলার ৪৪, বেয়ারস্টো ৮, মালান ৬৬, জর্ডান ১৪*; রিচার্ডসন ১৩/২, ম্যাক্সওয়েল ১৪/২, অ্যাগার ২/৩২)।

অস্ট্রেলিয়া :২০ ওভারে ১৬০/৬ (ওয়ার্নার ৫৮, ফিঞ্চ ৪৬, স্মিথ ১৮, স্টয়নিস ২৩*; রশিদ ২৯/২, আর্চার ৩৩/২)। ফলাফল :ইংল্যান্ড ২ রানে জয়ী । সিরিজ :৩ ম্যাচ সিরিজে ইংল্যান্ড ১-০ তে এগিয়ে। ম্যাচ সেরা :ডেভিড মালান (ইংল্যান্ড)

স্পোর্টস ডেস্ক

লক্ষ্য ছিল ১৬৩ রানের। টি-টোয়েন্টিতে এটা বিরাট কিছু নয়। আর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৯ উইকেট হাতে নিয়ে শেষ ৩৬ বলে অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজন ছিল ৩৯ রান। সেখান থেকেই শুরু হয় তাদের নাটকীয় পতন। জয় থেকে দু্ই রান দূরে থাকতেই থেমে যেতে হয় অস্ট্রেলিয়াকে।

সাউদাম্পটনে দুই রানের পরাজয়ে সিরিজ শুরু করল অস্ট্রেলিয়া। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড দল। ৬৬ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা হন ইংল্যান্ডের ডেভিড মালান।

আজ অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি। ম্যাচের আগে তাই সতর্ক অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। বললেন, ‘আমরা জানতাম, ইংল্যান্ড প্রবলভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে। তারা খুব ভালোভাবে পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করেছে। ১২ থেকে ১৮ ওভার পর্যন্ত আমরা বাউন্ডারি আদায় করতে ধুঁকেছি। এবারই প্রথমবার এরকম হলো না। এটা নিয়ে আমরা কাজ করছি। যতক্ষণ পর্যন্ত ছেলেরা শিখছে এবং উন্নতি করছে, শিক্ষা এবারও হয়েছে।’

ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চের উদ্বোধনী জুটিতেই উঠেছিল ৯৮। ১৪ ওভার শেষে রান ১ উইকেটে ১২৪। সেখান থেকে অস্ট্রেলিয়া জিততে পারেনি মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায়। ম্যাচের পর তাই প্রশ্ন উঠল স্মিথ-ম্যাক্সওয়েলের শট নির্বাচন নিয়ে। তবে ফিঞ্চ দায় দিলেন ওয়ার্নার ও নিজেকে। ফিঞ্চ বলেন, ‘ওরা দুজনই পরিকল্পনা অনুযায়ীই শট খেলেছে। যদি পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন আলাদা করে ভাবেন, তাহলে আরেকটু গভীরভাবে বুঝতে পারবেন। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ব্যাপারটিই হলো সুযোগ খোঁজা। আমি বরং ডেভিড (ওয়ার্নার) ও আমাকেই বেশি দায় দেব। আমরা দুজনই ভালো খেলছিলাম, কিন্তু কেউই ম্যাচ জয়ের মতো অবদান রাখতে পারিনি।’