তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি চর্চার বিষয়

এই যুগে শিক্ষার্থীরা যাতে তথ্যপ্রযুক্তিতে পিছিয়ে না পড়ে, সেই লক্ষ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এর আলোকে ২০১২ থেকে ২০১৫-এর মধ্যে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি’ বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হয়। কিন্তু তাতে কিছুই উপকার হচ্ছে না শিক্ষার্থীদের। শিক্ষার্থীরা শুধু রিডিং পড়ছে আর পরীক্ষার খাতা কালো করে আসছে। বাস্তবিক জ্ঞান কিছুই অর্জন হচ্ছে না। অনেক শিক্ষার্থী বলে, ‘আইসিটি  (ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি) না পড়লেও পারব।’ এমনকি টিচাররাও বলে, ‘আইসিটি পড়তে হয় না, এটা অতো জরুরি বিষয় না।’ অথচ দশম শ্রেণির অনেক শিক্ষার্থীই ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কিভাবে চালাতে হয় সেটাই ভালোভাবে জানে না।

আইসিটি বা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একটি ব্যবহারিক বিষয়। এটি পড়ে নয়, চর্চার মাধ্যমে আয়ত্ত করতে হয়। তাই প্রতিটি স্কুল-কলেজে আইসিটি ল্যাব স্থাপন করতে হবে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আইসিটি ল্যাব আছে, তবে তা তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে বছরের পর বছর। এই বিষয়ে প্রশাসনকে বিশেষ নজরদারির জন্য অনুরোধ করা গেল। এবং আইসিটি বিষয়ে শুধু বই পড়িয়ে নয়—প্র্যাকটিক্যাল করিয়ে যাতে শেখানো হয়, সেই বিষয়ে অতিদ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মুন্সী মুহাম্মদ জুয়েল

ডিপার্টমেন্ট অব ফিলোসফি,

চট্টগ্রাম কলেজ