সাতক্ষীরার সাবেক সিভিল সার্জন ডা. তৌহিদুর রহমানসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চার্জশিট দাখিল করেছে।
রাজধানীর সেগুন বাগিচা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেছেন। দুদকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ রবিবার এ কথা জানানো হয়।
চার্জশিটভুক্তরা হলেন, সাতক্ষীরার সাবেক সিভিল সার্জন ডা. তৌহিদুর রহমান, সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের হিসাবরক্ষক মো. আনোয়ার হোসেন, একই অফিসের হিসাবরক্ষক এ, কে, এম ফজলুল হক, রাজধানীর তোপখানা রোড, সেগুনবাগিচা মেসার্স বেঙ্গল সায়েন্টিফিক এন্ড সার্জিকেল কোং এর প্রোপাইটার মো. জাহের উদ্দিন সরকার, ঢাকা নয়াপল্টনের মেসার্স মাকেন্টাইল ট্রেড ইন্টার ন্যাশনালের প্রোপাইটর অথবা অংশীদার মো. আব্দুর ছাত্তার সরকার ও মো. আহসান হাবিব, পুরানা পল্টনের ইউনিভার্সেল ট্রেড কর্পোরেশনের সত্ত্বাধিকারী মো. আশাদুর রহমান, মেসার্স মাকেন্টাইল ট্রেড ইন্টার ন্যাশনালের ম্যানেজার (প্রশাসন ও অপারেশন) কাজী আবু বকর সিদ্দীক এবং রাজধানীর মহাখালী নিমিউ এন্ড টিসি’র সহকারি প্রকৌশলী (বর্তমানে অবসর) এ.এইচ.এম আব্দুস কুদ্দুস।
অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা অসৎ উদ্দেশ্যে পরস্পর যোগসাজশে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ করে প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতির আশ্রয়ে ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক চিকিৎসা সংক্রান্ত মালামাল ক্রয় ও সরবরাহের নামে ৩টি বিলের বিপরীতে মোট ১৬ কোটি, ৭১ লাখ ৩২ হাজার ২২২ টাকার ৩টি চেক সাতক্ষীরা হিসাব রক্ষণ অফিস হতে গ্রহণ ও উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন।
এর আগে দুদকের তৎকালীন উপসহকারী পরিচালক বর্তমানে সহকারী পরিচালক মো. জালাল উদ্দিন দুদকের অনুমোদন সাপেক্ষে ২০১৯ সালের ৯ জুলাই আসামিদের বিরেুদ্ধ দুর্নীতি দমন কমিশন খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট আদালতে তাদের বিরুদ্ধে এ চার্জশিট দাখিল করা হলো। বাসস
ইত্তেফাক/কেকে