আদর্শবান ঠিকাদারদের যুগ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। এ যুগের ঠিকাদাররা কাজ পেয়ে সম্পন্ন না করে দিনের পর দিন কাজ ফেলে রাখায় এলাকাবাসীর কষ্টের আর শেষ হয় না। এক কি দেড় মাস পরে দেখা মেলে—কয়েকদিন কাজ করানোর পরে রাস্তা আবারও খানখন্দক অবস্থায় রেখে যায়। এই হলো তাদের কাজের নমুনা। আবার কাজ করানো হয় যেনতেনভাবে—যেজন্য মাস না যেতেই রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। লোকমুখে শুনি, রাস্তা নির্মাণের নামে চলে অর্থ লোপাট। এ অবস্থায় আমরা চাই, তরুণ ছাত্র ও শিক্ষিত বেকারদের হাতে রাস্তা নির্মাণের কাজ দেওয়া হোক। এতে করে হবে না অর্থ লোপাট, রাস্তা নির্মাণের কাজও হবে সুন্দরভাবে। শৈশবে ‘জন্মভূমি’ নামে একটি ছবিতে দেখেছিলাম অসত্ ঠিকাদারদের অর্থ লুটপাটের কারণে জমিদার বাহাদুর রাস্তাসহ অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজ শিক্ষিত বেকার তরুণদের দিয়ে করিয়েছিলেন। আমাদের এই নগরীতেও তথাকথিত ঠিকাদারদের পরিবর্তে উন্নয়নের কাজে তরুণশক্তিকে লাগানো হোক। তরুণরাই পারবে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে।
লিয়াকত হোসেন খোকন
ঢাকা