ডব্লিউআইসিসিআই বাংলাদেশের বাংলাদেশ-ভারত বিজনেস কাউন্সিল সভাপতির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল পরিচিতি সভা। গত ৩০ আগস্ট ভার্চুয়াল মাধ্যমে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ডব্লিউআইসিসিআই বাংলাদেশের কাউন্সিল সদস্য এবং উপদেষ্টাদের পরিচিতি এবং ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ে ডব্লিউআইসিসিআই কি ভূমিকা রাখতে পারে সেসব বিয়য় তুলে ধরা হয়। সভায় বিশিষ্ট অতিথিরা ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হন।
সভায় বক্তব্য রাখেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাস, ডব্লিউআইসিসিআই ভারতের সভাপতি ড. হারবিন আরোরা এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, পরাগ হক, বাংলাদেশ-ভারত ব্যবসায়িক কাউন্সিলের পৃষ্ঠপোষক মনোয়ারা হাকিম আলী এবং বাংলাদেশ-ভারত ব্যবসায়িক কাউন্সিলের উপদেষ্টা, সোনিয়া বশির কবির।
রিভা গাঙ্গুলি দাস বলেন, উভয় দেশের ইতিবাচক বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী সম্পর্ক রয়েছে। ভারত বাংলাদেশের পারস্পারিক সহযোগিতা একটি চলমান প্রক্রিয়া। বাংলাদেশ সামাজিক খাতে ভালো করছে। দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীর উপস্থিতিসহ নারীর ক্ষমতায়ন দৃশ্যমান।
এ সময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন ভারত ও বাংলাদেশের ব্যবসায়ের দুর্দান্ত সুযোগ রয়েছে । তিনি বিশ্বাস করেন যে এতে নারী উদ্যোক্তারাও বড় ভূমিকা রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি সমাধানের ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক কাউন্সিল এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে বলে তিনি মনে করেন। ড. হারবিন আরোরা আমাদের নারী উদ্যোক্তাদের সাফল্যের গল্পগুলি তুলে ধরা এবং পাশাপাশি নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগে গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন এবং তাই ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক কাউন্সিল গঠন করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
সনিয়া বশির কবির নারী উদ্যোক্তাদের জন্য তথ্য ও প্রযুক্তির গুরুত্ব এবং দেশে বর্তমান ডিজিটাইজেশনে মহিলাদের অন্তর্ভুক্তির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেছেন। এ সময় মনোয়ারা হাকিম আলী বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের সাথে যেসব বাণিজ্জিক ঘাটতি আছে সেসব এর মধ্যে ভারসাম্য করা দরকার
পরাগ হক বলেন, কোভিডের পরবর্তী এসএমইগুলি কীভাবে পুনরুদ্ধার করতে পারে সে সম্পর্কে পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। তিনি সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে সবাইকে অবগত করেন। এবং তিনি মনে করেন যে স্মার্ট সিটি যাতে নারী বান্ধব হয় সেটি মাথায় রেখে নীতিনির্ধারকদের পরিকল্পনা গ্রহণ করা উচিত।
কাউন্সিলের সভাপতি মানতাশা আহমেদ ইন্ডিয়া বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স এবং বাংলাদেশ ফ্যাশন অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগ এ গড়ে ওঠা “দেশী ভালোবাসি” প্রকল্পটি শুরু করার কথা জানান।
অনুষ্ঠান শেষে ড. রুমানা দৌলা প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি করেন।