পদ
প্রথমেই এসো পদ সম্পর্কে
যা-কিছু জানা প্রয়োজন তা জেনে নিই
পদ: বাক্যে ব্যবহূত প্রতিটি শব্দই এক-একটি পদ।
পদ পাঁচ ধরণের: ১. বিশেষ্য পদ ২. বিশেষণ পদ ৩. সর্বনাম পদ ৪. অব্যয় পদ ৫. ক্রিয়া পদ
বিশেষ্য পদ: কোনো কিছুর নামকে বিশেষ্য পদ বলে।
কোকিলের ডাক মিষ্টি। মনির খুব ভালো ছেলে।
এখানে, কোকিলের, মনির বিশেষ্য পদ।
বিশেষণ পদ: যে পদ বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়া পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, পরিমাণ, সংখ্যা ইত্যাদি প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ পদ বলে।
মনির খুব ভালো ছেলে। কোকিলের ডাক মিষ্টি।
এখানে, খুব ভালো, মিষ্টি বিশেষণ পদ।
এখন আমরা নিচের শব্দগুলো থেকে বিশেষ্য ও বিশেষণ পদ চিহ্নিত করি-
ঘর, সোনালি, স্কুল, ছাতা, বড়, চাদর, বাঁশি, গাছ, ভাত, শুকনো, ভীষণ, নদী, কাঁপা, দরজা, রাইফেল, গরম, গভীর, হাঁড়ি, দ্রুত।
উত্তর: বিশেষ্য পদ: ঘর, স্কুল, ছাতা, চাদর, বাঁশি, গাছ, ভাত, নদী, দরজা, রাইফেল, হাঁড়ি।
বিশেষণ পদ: সোনালি, বড়, শুকনো, ভীষণ, কাঁপা, গরম, গভীর, দ্রুত।
সর্বনাম পদ: বিশেষ্যের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহূত হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে।
মনির খুব ভালো ছেলে। রবিন তার বন্ধু।
এখানে, তার সর্বনাম পদ।
অব্যয় পদ: যে পদ সব সময় অপরিবর্তনীয় থেকে বাক্যে শোভা বর্ধণ করে, কখনো একাধিক বাক্যের সংযোগ বা বিয়োগ ঘটায়, তাকে অব্যয় পদ বলে।
মনির ও রবিন একত্রে মাঠে যায়। এখানে, ও অব্যয় পদ।
ক্রিয়া পদ: যে পদের দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝায়, তাকে ক্রিয়া পদ বলে।
মনির ও রবিন মাঠে একত্রে খেলে। এখানে, খেলে ক্রিয়া পদ।