প্রথাগত স্ট্রাইকারের অভাব আছে স্পেনের। তবে দলে যখন সার্জিও রামোসের মতো গোল করতে পটু ডিফেন্ডার আর আনসুমানে ফাতিদের মতো গোলসন্ধানীরা থাকেন তখন কোচের ভাবনাটা কমে যায় ঢের। রবিবার রাতে ইউক্রেনের বিপক্ষে তাদেরই অনন্য কীর্তিতে ৪-০ ব্যবধানের বড় জয় পেয়েছে স্পেন।
উয়েফা নেশন্স লিগের লিগ এ গ্রুপ চারে আগের ম্যাচে কোনোক্রমে ড্র করা স্পেন রবিবার এগিয়ে যায় শুরুতেই। পেনাল্টি থেকে গোলটি করেন সার্জিও রামোস। এরপর ২৯ মিনিটে আবারও রামোসের হানা প্রতিপক্ষ গোলমুখে, ব্যবধান দ্বিগুণ করে কোচ লুইস এনরিকের শিষ্যরা। জাতীয় দলের ক্যারিয়ারে ২৩তম গোলটি তাকে ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোল করা ডিফেন্ডারও বানিয়ে দেয়। এ যাত্রায় রামোস পেছনে ফেলেন সাবেক আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার দানি পাসারেল্লাকে।
মিনিট তিনেক পর বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক শটে গোল করে আনসু ফাতি বনে যান স্পেনের ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা। ৮৪ মিনিটে ইউক্রেনের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন ফেরান তরেস।
এই জয়ের প্রতিক্রিয়ায় কোচ এনরিকে বলেন, ‘রামোস এক জন নেতা, আর ব্যাপারটা কথার চেয়েও বেশি কিছু। সে একটা উদাহরণ আর সে এভাবেই নেতৃত্ব দেয়। সে থাকলে যে কোনো কোচের কাজটাই সহজ হয়ে যায়।’
ম্যাচ জুড়েই আলো ছড়িয়েছেন প্রথমবারের মতো শুরুর একাদশে সুযোগ পাওয়া ফরোয়ার্ড ফাতি। গোলের আগে দ্বিতীয় মিনিটে রামোসের পেনাল্টিটা আদায় করে দিয়েছিলেন তিনিই। তার প্রশংসায় এনরিকে বলেন, ‘আমি চিন্তিত নই, আমি নিশ্চিত এমন পারফরম্যান্স তার মাথা খারাপ করে দেবে না, সে বেশ নম্র একটা ছেলে। আর আমরা জানি তাকে কি করে সামলাতে হবে।’