ক্লাস, পরীক্ষা সবই চলছে অনলাইনে

এস এন ইসলাম

 

মহামারী করোনায় দীর্ঘমেয়াদি ছুটির ফাঁদে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ঢাকা কমার্স কলেজ প্রথম থেকেই অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম এমনকি পরীক্ষাও চালিয়ে যাচ্ছে। অনলাইনে ডিজিটাল শিক্ষার প্রশিক্ষণ ও প্র্যাকটিস থাকায় কঠোর লকডাউনের সময়ও ঢাকা কমার্স কলেজের অনলাইন শিক্ষাকার্যক্রম শুরু থেকেই অব্যাহত আছে। এ কলেজের অনেক শ্রেণিকক্ষই মাল্টিমিডিয়াযুক্ত। এখানকার অধিকাংশ শিক্ষক মাল্টিমিডিয়ায় পাঠদানে সক্ষম। কলেজের একাদশ, অনার্স, মাস্টার্স ও প্রফেশনাল শ্রেণির প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাসের আওতাধীন। এমনকি উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্যও বিশেষ প্রণোদনা ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিক্ষার্থী উপস্থিতি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সেকশনভিত্তিক অনলাইন অভিভাবক সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অনলাইন শিক্ষায় কলেজ কর্তৃপক্ষের আগাম প্রস্তুতির কারণে করোনার মধ্যেও এ কলেজের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার গতি অনেকটাই স্বাভাবিক রয়েছে। ব্যবসায় শিক্ষায় দক্ষ নাগরিক গড়ার সুমহান লক্ষ্যে ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা কমার্স কলেজ। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ঈর্ষণীয় ফলাফল করার মধ্য দিয়ে সীমিত সময়েই কলেজটি দেশসেরা কলেজে উন্নীত হয়। শুরু থেকেই এ কলেজ ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের মেধাক্রমে শীর্ষস্থান অর্জন করে আসছে। বোর্ড মেধা তালিকায় এ কলেজের শিক্ষার্থীরা ধারাবাহিকভাবে প্রতি বছরই মেধাস্থান অর্জন করে আসছে। এমনকি এ কলেজ ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ১ম, ২য় ও ৩য় স্থানসহ ২০টি মেধাস্থানের মধ্যে ১৩টি মেধাস্থান অর্জন করে এক বছর রেকর্ড সৃষ্টি করে। কলেজে গভর্নিং বডির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. সফিক আহমেদ সিদ্দিক। অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর মো. শফিকুল ইসলাম, উপাধ্যক্ষ- প্রফেসর ড. মো. আবু মাসুদ এবং অ্যাকাডেমিক উপদেষ্টা প্রফেসর মো. মোজাহার জামিল।

অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম বলেন, সুশিক্ষিত, দক্ষ ও শিক্ষানুরাগী পরিচালনা পর্ষদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর অক্লান্ত পরিশ্রমে ঢাকা কমার্স কলেজ আজ অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠে পরিণত হয়েছে। বিশাল অবকাঠামো, লেখাপড়ার মান, পরীক্ষার ফলাফল, শিক্ষা সহায়ক কার্যক্রম, শৃঙ্খলা, প্রযুক্তির ব্যবহার, স্বাস্থ্য ও সেনিটেশন সুবিধা ইত্যাদি বিবেচনায় কলেজটি অবশ্যই শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার। ঢাকা কমার্স কলেজ আজ বাণিজ্য শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান শাখায়ও অন্যতম দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী শিক্ষালয় হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত। আধুনিক পদ্ধতিতে শিক্ষাদান এবং শিক্ষা সহায়ক কর্মকান্ডে জড়িত করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বৃদ্ধিতেও এই কলেজের ভূমিকা অসামান্য।