ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ছিনতাই বাড়ছে

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস ও পিকআপে করে যাত্রী বহনের ফাঁদ পেতে ছিনতাইয়ের ঘটনা বাড়ছে। মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে আন্তঃজেলা ছিনতাইকারী চক্র ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারা লুটে নিচ্ছে যাত্রীদের টাকা ও মালামাল এবং খুনের ঘটনাও ঘটছে। সোমবার রাতে জেলার দাউদকান্দি এলাকায় গাড়িতে তুলে আফজাল মিয়া নামের এক ব্যবসায়ীর সর্বস্ব ছিনতাইসহ তাকে হত্যার চেষ্টাকালে হাইওয়ে পুলিশ ও এলাকার লোকজন মহাসড়কে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে গাড়িসহ তিন ছিনতাইকারীকে আটক করে। আটককৃতরা হচ্ছে শাহপরান (৩৩), আমিরুল (৩৫) ও মোর্শেদ মিয়া (২৯)। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার থানায় মামলা হয়েছে। হাইওয়ে কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। 

হাইওয়ে ও থানার পুলিশসহ বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, এ মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের দাউদকান্দি থেকে চৌদ্দগ্রামের দত্তসার পর্যন্ত ১১১ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। মহাসড়কের জেলার দাউদকান্দি, গৌরীপুর, ইলিয়টগঞ্জ, মাধাইয়া, চান্দিনা, নিমসার, ক্যান্টনমেন্ট, আলেখারচর, পদুয়ার বাজার, সুয়াগাজী, মিয়াবাজার, চৌদ্দগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় স্টেশন রয়েছে। গন্তব্যে পৌঁছার জন্য এসব স্টেশনে দ্রুতগামী যানবাহন পেতে যাত্রীরা ভিড় করে থকে। এই সুযোগে প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস ও পিকআপযোগে আন্তঃজেলা ছিনতাইকারী চক্র যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার ফাঁদ পেতে গাড়িতে তুলে সর্বস্ব ছিনিয়ে নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়।

কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজিমুল আহসান বলেন, এই মহাসড়কে আন্তঃজেলা ছিনতাইকারী চক্রের অনেককে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। সন্দেহজনক প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস ও পিকআপে যাত্রীদের না ওঠার আহ্বান জানিয়ে হাইওয়ে কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সড়ক-মহাসড়কে ছিনতাইকারীদের গ্রেফতারে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ২৪ ঘণ্টা পুলিশের টিম টহল দিচ্ছে। এক্ষেত্রে যাত্রীদেরও সচেতন হতে হবে।