অব্যাহত হামলা-মামলা আর হয়রানির কারণে নিজের ও পরিবারের জীবন বিপর্যস্ত বলে অভিযোগ করেছেন রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সাকিল ইসলাম রাব্বি। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য তরুণ এ ছাত্রলীগ নেতা নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোকে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেন। তিনি নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জীবন রক্ষার্থে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রাব্বি বলেন, একটি চক্র প্রশাসনের অসাধু কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগশাজস করে তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা ও হামলা চালাচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাব্বির বাবা সেলিম রেজা, মা-মিসেস মাজেদা পারভীন ও বৃদ্ধা নানি সালেহা বেগম।
রাব্বি বলেন, ঢাকার একটি থানায় ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদ পাবার পরও তিনি নিয়মিত নিজ গ্রাম বরিশালের উজিরপুর থানার জল্লা ইউনিয়নের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। এরই মধ্যে ২০১৮ সালের ২১ সেপ্টেম্বর কারফা বাজারে প্রকাশ্যে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন জল্লা ইউপির চেয়ারম্যান বিশ্বজিত্ হালদার নান্টু। ঐ সময় রাব্বি ছিলেন দেশের বাইরে। অথচ উপজেলা পর্যায়ে আওয়ামী লীগের এক নেতার ইশারায় তাকে হত্যার আসামি করা হয়। দেশে ফিরে সাত মাস জেলখেটে জামিনে মুক্তি পান। এরই মধ্যে শুরু হয় ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন। ২৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী নুরুল ইসলাম রতনের পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেন। নৌকার পক্ষে কাজ করার পরেও বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থী সামিউল আলিম চৌধুরী তাকে ধরে নিয়ে নির্যাতন শেষে অস্ত্র মামলা দেয়। পাঁচ মাস পর মুক্তি পান। আড়াই বছর পর ঈদুল আজহায় গ্রামের বাড়িতে যান। সেখানে হামলার শিকার হন। অথচ পুলিশ রাব্বির মামলা না নিয়ে উলটো তাকে আসামি করে অন্যদের মামলা গ্রহণ করে।