বিদেশি প্রসাধনীর নামে কী ব্যবহার করছি?

বিদেশি প্রসাধনীর নামে কী ব্যবহার করছি আমরা? কী ব্যবহার করবে আমাদের শিশুরা? কয়েক জন অসাধু ব্যবসায়ী কতটা খারাপ হতে পারে তা না দেখলে বিশ্বাস করাই কঠিন। গতকাল মঙ্গলবার বিএসটিআইর সহযোগিতায় রাজধানীর চকবাজারের মৌলভীবাজারের তাজমহল টাওয়ারের তাকওয়া এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালিয়েছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম। নকল ও ভেজাল পণ্য মজুত ও বিক্রি করার অপরাধে আদালত পাঁচ জনকে অর্থ ও কারাদণ্ড দিয়েছে।

অভিযানে দেখা যায়, শিশুদের ব্যবহার্য জনসন বেবী লোশন, বেবী স্যাম্পু, জনসন পাউডার, ইউনিলিভারের পন্ডস, ফেয়ার এন্ড লাভলীসহ ৩২ ধরনের নকল প্রসাধনী সামগ্রী উৎপাদন, মজুত ও বিক্রি করছে। অভিযুক্তরা এসব পণ্যের খালি বোতল চায়না থেকে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানি করে নিজেদের অনুমোদনহীন কারখানায় রিফিল করে স্টিকার লাগিয়ে বাজারে বিদেশি পণ্য বলে বিক্রি করে। এতে সাধারণ ক্রেতারা ভয়াবহ প্রতারণার শিকার হচ্ছিলেন।

এই অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকওয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক সাইফুদ্দিন চৌধুরী ও আব্দুল আলিম নকির এবং ম্যানেজার মো. আরমান, শেখ সাউদুল ইসলাম ও খায়ের হোসেন প্রত্যেককে দুই বছর করে কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা করে মোট ২৫ লাখ টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া সোয়ারীঘাট এলাকার ৬/১০ চম্পাটুলি লেন এলাকায় নকল কারখানায় অভিযান চালিয়ে কারখানার মালিক বাসারের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

ইত্তেফাক এসি