দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর শীর্ষ কূটনীতিকদের বার্ষিক আলোচনা শুরু হয়েছে। করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে এক মাস দেরিতে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে শুরু হয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর (আসিয়ান) সম্মেলন। এই সম্মেলনে গুরুত্ব পাচ্ছে করোনা ভাইরাস মহামারি আর দক্ষিণ চীন সমুদ্র নিয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
আসিয়ান সম্মেলনের এবারের আয়োজক দেশ ভিয়েতনাম। এতে যোগ দিয়েছেন ব্রুনাই, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। এছাড়া এশিয়া ও পশ্চিমের কয়েকটি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও এতে অংশ নিচ্ছেন।
সম্মেলনের উদ্বোধনী ভাষণে ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী নিগুয়ান হুয়ান ফুক বলেন, ‘কোভিড-১৯ জটিল উপায়ে উন্মোচিত হতে থাকায় আর আমাদের জনগণ ও ব্যবসা এতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকায় দক্ষিণ চীন সমুদ্রসহ আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি এবং ভূ-অর্থনীতি ক্রমবর্ধমান অবিশ্বাস প্রত্যক্ষ করছে, যা শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে।’ দক্ষিণ চীন সমুদ্রে সংগঠিত কর্মকাণ্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশের মধ্যে অচলাবস্থা চলতে থাকার মধ্যে এমন বক্তব্য দেন ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এক সিনিয়র কূটনীতিক জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় একটি তহবিল প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে আসিয়ান। মেডিক্যাল সরঞ্জাম এবং সুরক্ষা সামগ্রী ক্রয়ে সহায়তার জন্য গঠন করা এই তহবিলে ১ লাখ ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে থাইল্যান্ড। এছাড়া চীন, জাপান দক্ষিণ কোরিয়াসহ আসিয়ান সহযোগী দেশগুলোও তাদের অনুদান ঘোষণা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।