স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সেই কর্মকর্তা প্রত্যাহার

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত কোভিড কন্ট্রোল ইউনিটের যুগ্মসচিব ও এনসিডিসির প্রোগ্রাম ম্যানেজার-২ ডা. রিজওয়ানুল করিম শামীমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। দুর্নীতি ও নারীঘটিত বেশ কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

গতকাল বুধবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে তাকে মন্ত্রণালয়ের পার-১ অধিশাখায় ন্যস্ত করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (পার-২) শারমিন আক্তার জাহানের স্বাক্ষর করা আদেশে বলা হয়েছে, সহযোগী অধ্যাপক পদমর্যাদার এই চিকিত্সক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এনসিডিসি প্রোগ্রামের ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এর আগে ডা. শামীমের বিরুদ্ধে তার কয়েকজন নারী সহকর্মী গুরুতর অভিযোগ আনেন। এ নিয়ে ইত্তেফাকে প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসে। সরকারি চাকরিতে যোগদানের আগেই তার বিরুদ্ধে ২০০১ সালে ময়মনসিংহে একটি ক্লিনিকে একজন রোগীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এছাড়া ২০১৪ সালে নিপসমের শিক্ষক থাকার সময় দুই বার ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে ছাত্রীরা তার বিরুদ্ধে আন্দোলনও করেন। পরে তাকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয় নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।         সেখানেও একজন নারী চিকিত্সককে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। সেই নারী চিকিত্সক এর পর তিন মাস ট্রমায় ছিলেন। ঐ নারীর ভাইও একজন চিকিত্সক। তিনি বিষয়টি জানিয়েছেন।

এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের স্নেহভাজন এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কেনাকাটায়ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। যা এখন তদন্ত চলছে। তবে ভুক্তভোগী নারীরা শুধু তার প্রত্যাহারে খুশি নয়। তদন্ত করে সহকর্মীদের উত্ত্যক্তকারী এই চিকিত্সকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন।