চেয়ারম্যানসহ আট জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

গরু চুরির মিথ্যা অপবাদে মা-মেয়েকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় সেই বির্তকিত চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলামসহ আট সহযোগীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। গতকাল বুধবার চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক রাজীব কুমার দেব এসব আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। গত ২৪ আগস্ট জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে গঠিত তদন্তটিমের প্রধান এএসপি সার্কেলের দাখিলকৃত প্রতিবেদনে আট জনের সম্পৃক্ততার কথা উঠে এসেছে।

যাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে, তারা হলেন—হারবাং ইউপি চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম, তার সহযোগী নজরুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন, নাছির উদ্দিন, রাজীব, কবির, গ্রাম পুলিশ নুরুল আমিন ও গ্রাম পুলিশ আহমদ হোসেন। এরমধ্যে গত ২৫ আগস্ট থেকে নজরুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন ও নাছির উদ্দিন কারাগারে রয়েছেন।

গত ২১ আগস্ট গরু চুরির মিথ্যে অপবাদ দিয়ে মা ও তিন ছেলেমেয়েকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন করে। তাদেরকে নির্যাতন চালিয়ে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার রাস্তা হেঁটে হারবাং ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে দ্বিতীয় দফা নির্যাতন চালায় চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা। নির্যাতনের ভিডিওচিত্র মূলধারার গণমাধ্যম ও ফেসবুকে ভাইরাল হলে তোলপাড় শুরু হয় দেশ জুড়ে।

ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এপিপি অ্যাডভোকেট শহীদুল্লাহ চৌধুরী জানান, উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক রাজীব কুমার দেব গত ২৪ আগস্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে একটি মামলা করেন।