মনে হচ্ছে একটি রাজনৈতিক কবিতা

খুব হাসি পাচ্ছে,

হাসি না হেসে বলছে :

            ‘শব্দ শুনছি না

            কেউ কি গরাদে আটকে দিল???

দ্যাখো, প্রশ্নগুলি বাঁকা হয়ে

পড়ে যাবার ভয়ে কাঁপছে।’

 

কান্না পাচ্ছে,

অশ্রু আর্তনাদ করা পাথর।

চোখের অতলে কী সব আখ্যান :

‘কবরে নেবার আগে

কারা যেন নস্টালজিক গান গায় :

বাড়ি চলো, শিউলিফুল আছে।’

 

ক্ষুধা পাচ্ছে,

সবসময় খাচ্ছি।

বমি বলছে :

‘দিনের বেলায় ওগড়ানো চলবে না।’

খাদ্যেরও ক্ষুধা পাচ্ছে।

বিষ্ঠার কাছে জিজ্ঞেস করছে, কী খাবে।

 

হাঁটছি,

দূর থেকে গন্তব্য এসে

পায়ের ধুলোতে থমকে যাচ্ছে।

মাইলপোস্ট বলছে :

            ‘মানুষটা লাট্টু ছোট্ট বৃত্তেই।’

 

কারো চোখ রাঙানোর পূর্বাভাসে

বজ্রপাতে ভরে যাচ্ছে রাত্রিদিন।

 

দরজা খুলছি

বন্ধ দেখছে

কথা বলবার জিহ্বা

গিলছে সত্য অন্ধকার।