খুব হাসি পাচ্ছে,
হাসি না হেসে বলছে :
‘শব্দ শুনছি না
কেউ কি গরাদে আটকে দিল???
দ্যাখো, প্রশ্নগুলি বাঁকা হয়ে
পড়ে যাবার ভয়ে কাঁপছে।’
কান্না পাচ্ছে,
অশ্রু আর্তনাদ করা পাথর।
চোখের অতলে কী সব আখ্যান :
‘কবরে নেবার আগে
কারা যেন নস্টালজিক গান গায় :
বাড়ি চলো, শিউলিফুল আছে।’
ক্ষুধা পাচ্ছে,
সবসময় খাচ্ছি।
বমি বলছে :
‘দিনের বেলায় ওগড়ানো চলবে না।’
খাদ্যেরও ক্ষুধা পাচ্ছে।
বিষ্ঠার কাছে জিজ্ঞেস করছে, কী খাবে।
হাঁটছি,
দূর থেকে গন্তব্য এসে
পায়ের ধুলোতে থমকে যাচ্ছে।
মাইলপোস্ট বলছে :
‘মানুষটা লাট্টু ছোট্ট বৃত্তেই।’
কারো চোখ রাঙানোর পূর্বাভাসে
বজ্রপাতে ভরে যাচ্ছে রাত্রিদিন।
দরজা খুলছি
বন্ধ দেখছে
কথা বলবার জিহ্বা
গিলছে সত্য অন্ধকার।