ক্রিং, ক্রিং, ক্রিং...। তুমি বললে, ‘খোলো...’
ঝুমবৃষ্টি। লন পেরিয়ে লেবুতলা কাছে পানির কলটা
ফেলে যুগল বাসার বিভেদ দরজা খুললাম:
তোমার হাতে চিনেমাটির সফেদ পাত্র। মনে পড়ছে না—
ঢাকনা ছিল কিনা, ছিল কি না ফুলতোলা...
হয় তো ও-দিকে নজরই ছিল না মোটে।
ছোট্ট করে বললে তুমি, ‘খেয়ো’। আমি বললাম, ‘আসো’।
তুমি মৃদু হেসে বাহু থেকে ধীরে সরিয়ে দুহাত বললে
বাঁকানো চোখে, ‘ভিজে জবুথবু—বলো তো কী ভাবে যাই!’
হেসে বললাম, ‘আমি কি ভিজেছি কম!’। তুমি বললে,
‘আজকে না হয় থাক।’
হঠাত্ তখন কদমের নিচু ডালে ডেকে ওঠে জোড়া-কাক...
তুমি চলে গেলে। খাবারটা হোল বাসি। কী করে ভাবলে—
তোমার চেয়েও তোমার মায়ের পাঠানো খাবার
আমি বেশি ভালোবাসি!