সরে গেলেন বাদল রায়

বাফুফে নির্বাচন

স্পোর্টস রিপোর্টার

বাফুফের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায়  সভাপতি পদের প্রার্থী বাদল রায় নাম প্রত্যাহার করে নেন। যদিও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময় ছিল বিকেল ৫টা।

বাদল রায় তার ওয়ারীর বাসা থেকে স্ত্রী মাধুরী রায়কে পাঠিয়েছেন বাফুফে ভবনে। কালো রঙয়ের একটি জিপে বাদল রায়ের স্ত্রী বাফুফে ভবনে প্রবেশ করলে তাকে ঘিরে ধরে সংবাদমাধ্যম। প্রশ্ন উঠল বাদল রায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন কিনা? মাধুরী রায় হ্যাঁ জবাব দিয়ে বললেন, ‘আমি ওপরে গিয়ে পত্রটা জমা দিয়ে এসে কথা বলি।’

দশ মিনিট পরই তিনি নামলেন সঙ্গে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ এবং নির্বাচন কমিশনের একজন প্রতিনিধি।

বাদল রায়ের সরে যাওয়া প্রশ্নে স্ত্রী মাধুরী রায় বলেন, ‘বাদল তো অসুস্থ। ফুটবলের জন্যই নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন শরীর সাপোর্ট করছে না। স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছে। কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে। আমরা পরিবার সবাই মিলে ঠিক করলাম, ইলেকশন থেকে উইথড্র করবে।’ মনোনয়ন যখন জমা দেওয়া হয় তখনো উনি (বাদল রায়) অসুস্থ ছিলেন। এমন প্রশ্নে বাদল রায়ের স্ত্রী বলেন,‘হ্যাঁ উনি অসুস্থ ছিলেন। তখন ভেবে ছিলেন পারবেন, কিন্তু এখন দেখছেন ভোট ক্যাম্পিং করা; লোকজনের সঙ্গে কথা বলা, একটা বললে দ্বিতীয় কথাটা সে রিসিভ করতে পারছে না, শুনতে চাচ্ছে না। ওটা (নির্বাচন) হলে হয়তো তার জন্য খারাপ হতো। বেটার আগে থেকে সরে যাওয়া।’

কোনো চাপে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন কিনা—এমন প্রশ্নে মাধুরী রায় বলেন, ‘ওরকম আমি কিছু বলিনি, আমি শুনিনি, আমি জানি না।’ বাদলের স্ত্রী ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমি বাদলের পক্ষ থেকে বলছি—ওর নাম যদি ব্যালট পেপারে এসেও যায় দয়া করে ভোট দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। বাদল নাম উইথড্র করেছে।’ এরপর বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ বলেন, ‘আমি যখন বিকালে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছিলাম তখন প্রধান নির্বাচন কমিশনার আমাকে জানিয়েছেন ভাবী (বাদল রায়ে স্ত্রী) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের চিঠি নিয়ে আসবেন সেটা যেন আমি রেখে দেই।’ সদস্য পদে সাইদুর রহমান মানিক এবং জাকির হোসেন নাম প্রত্যাহার করেন।