নগরবাসীর আবাসন সমস্যা সমাধানে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) দীর্ঘ প্রায় এক যুগ পর আবাসিক প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে। সিডিএ নগরীর অক্সিজেনসংলগ্ন অনন্যা আবাসিক প্রকল্পের ২য় পর্যায়ের কাজ শুরু করছে। এর জন্য জায়গা অধিগ্রহণসহ সার্ভের কাজ শিগিগরই শুরু হবে। গতকাল শনিবার সিডিএ ভবনে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি এবং সিডিএর আগামী কর্মসূচি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় সিডিএ চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ উপরোক্ত প্রকল্পের কথা জানান।
তিনি চট্টগ্রামকে আধুনিক ও বসবাস উপযোগী শহর হিসেবে গড়ে তুলতে নতুন মাস্টারপ্ল্যানের কাজ কিছুদিনের মধ্যে শুরু করবেন বলে জানান। সিডিএ চেয়ারম্যান জানান, মাস্টারপ্ল্যান তৈরির পূর্বে সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন ও প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তিনি তার দায়িত্বকালীন সিডিএ কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরেন। তিনি নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত প্রকল্পের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রগতির বিষয়সহ ফ্ল্যাট প্রকল্প, সড়ক উন্নয়ন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বায়েজিদ-ফৌজদারহাট সড়ক, কমার্শিয়াল ভবন নির্মাণের সার্বিক অবস্থা তুলে ধরেন।
মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত প্রকল্পের দায়িত্বে নিয়োজিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কোরের ভারপ্রাপ্ত ডিজি কর্নেল সায়েম জানান, আগামী বছরের মার্চের মধ্যে পাঁচটি রেগুলেটরের কাজ শেষ হবে। এতে করে জোয়ারভাটার জন্য নগরীতে যে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় তা থেকে
নগরবাসী রক্ষা পাবে। তিনি চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা প্রকল্পকে চ্যালেঞ্জিং হিসেবে উল্লেখ করে এর অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
জলাবদ্ধতা প্রকল্পটি ২০১৭ সালে একনেকে অনুমোদিত হলেও এটি সিডিএর অধীনে সেনাবাহিনী কর্তৃক গত বছরের জুলাই থেকে প্রকৃত অর্থে কাজ শুরু হয়েছে বলে সিডিএ চেয়ারম্যান জানান। মতবিনিময় সভায় সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী হাসান বিন শামস এবং প্রধান টাউন প্ল্যানার শাহিনুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।