টাঙ্গাইলে শিক্ষক দম্পতি অনিল কুমার দাস ও তার স্ত্রী কল্পনা রানীকে হত্যার মামলায় ছয় জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান গতকাল রবিবার এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—স্বপন কুমার দাস, জাহিদুল ইসলাম, মো. ফরহাদ, মো. মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মঞ্জুরুল ইসলাম ও শয়ান মিয়া। তাদের মধ্যে স্বপন নিহত অনিল কুমারের সত্-ভাই।
মামলার নথি থেকে দেখা যায়, অনিলের সম্পত্তি আত্মসাতের জন্য তার সত্-ভাই স্বপন কুমার ও অন্য আসামিরা ২০১৭ সালের ২৬ জুলাই টাঙ্গাইল মডেল থানাধীন রসুলপুর গ্রামের বাড়িতে গিয়ে অনিল ও তার স্ত্রীকে হত্যা করে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয়। এ ঘটনার দুই দিন পর ২৮ জুলাই নিহতের ছেলে নির্মল কুমার দাস বাদী হয়ে টাঙ্গাইল মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্ব্বর পুলিশ ছয় জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে। ২০১৯ সালের ৭ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলার বিচার শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষে মোট ৩৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে এ রায় দেয় আদালত।