বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার প্রত্যন্ত পাশাপাশি চারটি গ্রাম—কল্যাণপুর, আয়রা, ঝাঁঝাহার ও পাঁচগ্রাম। এই চারটি এলাকায় জমিতে সেচকাজের জন্য ছোট-বড় মিলিয়ে ১৮-২০টি গভীর নলকূপ রয়েছে। প্রতিবছর স্থানীয় কিছু চাঁদাবাজ সেসব নলকূপের বৈদ্যুতিক মিটার চুরি করে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে থাকে। নলকূপ স্বত্বাধিকারীদেরও আইনের সহায়তা না পেয়ে একরকম বাধ্য হয়েই চাঁদা দিতে হয়। এই করোনাকালে আর্থিক সংকটে ভুগছেন সর্বস্তরের মানুষ। এরকম একটি সময়েও চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য থামেনি। চাঁদাবাজরা বিভিন্ন মোবাইল নাম্বার থেকে প্রতিটি নলকূপের স্বত্বাধিকারীর কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে আসছে। সম্প্রতি তারা নলকূপ স্বত্বাধিকারীদের বাড়িতে চিঠি ও বিকাশ নাম্বার পাঠিয়ে দিয়েছে। এমনকি চাঁদা না দিলে নলকূপগুলোর বৈদ্যুতিক মিটার চুরি ও ছোট নলকূপগুলো তুলে ফেলার হুমকিও দিয়ে যাচ্ছে তারা। এ অবস্থায় একরকম আতঙ্কে দিন কাটছে নলকূপ স্বত্বাধিকারীদের। দ্রুত এই চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন জানাই।
মোহম্মদ শাহিন
কাহালু, বগুড়া