মৃত্যুর মিছিল ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে। কিন্তু দুর্ঘটনা কমছে না। থামছে না সড়ক-মহাসড়কে বিদ্যমান বিশৃঙ্খলা। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর জন্য লাইসেন্সবিহীন অদক্ষ চালক ও মেয়াদোত্তীর্ণ লক্কড়ঝক্কড় যানবাহন যেমন দায়ী, তেমনই বেপরোয়া ও অসচেতন পথচারীদের দায়ও কম নহে। এ ব্যাপারে টেলিফোনে ও ই-মেইলে দেওয়া পাঠকের মতামত আজ প্রকাশিত হলো
সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু এখন যেন কোনো খবরই নয়! অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব দুর্ঘটনার ব্যাপারে আইনগত কোনো ব্যবস্থাও নেওয়া হয় না। সড়ক দুর্ঘটনায় কুকুর-শিয়ালের মৃত্যু হলে যতটা শোরগোল হয়, তার ছিটেফোঁটাও হয় না মানুষের মৃত্যুতে। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হবে—এটাই তো স্বাভাবিক। কাজেই এ নিয়ে কথা বলার তো কিছুই দেখি না। প্রতিটি মৃত্যুর দায়ভার সরকার কিংবা গণপরিবহন মালিক-শ্রমিকদের নেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলে এমনিতেই কমে যাবে দুর্ঘটনার পরিমাণ।
মেনহাজুল ইসলাম তারেক
মুন্সিপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর
রাজধানীসহ সারা দেশে সড়কে চলছে চরম বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য। এ অবস্থার জন্য কে দায়ী ঘুরে ফিরে এখন সে প্রশ্ন। এ কথার উত্তর দেওয়া কঠিন। কেননা, রাস্তা খারাপ হলে সরকার দায়ী হতে পারে। ড্রাইভার অদক্ষ হলে যে মালিক ওই ড্রাইভারের হাতে গাড়ি তুলে দেন তিনি দায়ী হতে পারেন। পথচারী ঠিকভারে রাস্তা ব্যবহার না করলে সেজন্য পথচারী দায়ী হতে পারে। রাস্তায় পুলিশ ঠিকমতো তার দায়িত্ব পালন না করলে পুলিশ দায়ী হতে পারে, পরিবহন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনী লোকবল সরকার না দিলে সরকার দায়ী হতে পারে। এটা একটি সিস্টেমেটিক ব্যাপার।
অমিত বণিক
উত্তরা, ঢাকা
সড়ক-মহাসড়কে মৃত্যুর মিছিল ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে। গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লাইসেন্সবিহীন অদক্ষ চালক আর লক্কড়ঝক্কড় মার্কা ফিটনেসবিহীন গাড়ি—দুটোই পথচারী ও যাত্রীদের জন্য বিপজ্জনক। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সচেতন ও কর্তব্যপরায়ণ হতে হবে।
শাহ মোহাম্মদ হেলালউদ্দিন হিরো
কালিহাতি, টাঙ্গাইল
সড়ক-মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা ও দুর্ঘটনা কমানোর জন্য করণীয় হচ্ছে—ঢাকা শহরে ফুটপাত-গুলোকে উন্মুক্ত করতে হবে, লক্কড়ঝক্কড় মেয়াদোত্তীর্ণ ও অদক্ষ চালক বাদ দিতে হবে। চালকের ডিউটি আওয়ার সর্বোচ্চ ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা হতে হবে। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের কারণে যানবাহন চলছে অসুস্থ প্রতিযোগিতায়, এটাও নজর দিতে হবে।
মো. রবিউল হোসেন রবি
বাংলাদেশ মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা, মতিঝিল, ঢাকা
সড়ক-মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা আর মৃত্যুর মিছিল বন্ধ করতে হলে প্রথমেই দেশের সকল রাস্তাঘাটের খানা-খন্দ মেরামত করে যানবাহনের চলাচল পথ সুগম করতে হবে। অপ্রাপ্ত বয়স্ক চালকের দ্বারা গাড়ি চালানো বন্ধ করতে হবে। ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে হবে।
আলহাজ মো. হাফিজুল ইসলাম চৌ. (হিফজু)
হাউজিং স্টেট, ২ সেক্টর, রাজশাহী
সড়ক-মহাসড়কে বিশৃঙ্খলার বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের জন্য সংশ্লিষ্ট সরকার, মন্ত্রণালয়, গণপরিবহন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, মালিক শ্রমিক সংগঠন এবং যাত্রী পথচারীসহ সবাই মিলে উদ্যোগ নিলে সড়কের মৃত্যুর মিছিল অনেকাংশে কমে আসবে।
মো. মাসুম আহম্মেদ
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা
লাইসেন্সবিহীন গাড়ি ও অদক্ষ চালক, মেয়াদউত্তীর্ণ লক্কড়ঝক্কড় গাড়ি শুধু দায়ী নয়, দায়ী আমাদের সচেতনতার অভাব।
ডা. মো. জামিল রহমান
গোপালপুর, টাঙ্গাইল
সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ! ঘটনা ঘটার পর কয়েক দিন মানুষের প্রতিক্রিয়া, ভাঙচুর, অবরোধ—তারপর সব ঠান্ডা। প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি; অপরাধীর বিচার হবে, সর্বোচ্চ শাস্তি হবে, মানুষের ভুলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তাই চোখে পড়ে।
মোহাম্মদ শহীদউল্যা
হক ভিলা, মেরাদিয়া, ঢাকা
‘একটি দুর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না’— আমরা ভুলে যাই সে কথা। যখন হাতে মোবাইল ফোন নিয়ে সুমধুর আলাপ করতে করতে রাস্তা পার হই কিংবা চলন্ত বাস থেকে নামার সময় মোবাইলে কথা বলতে বলতে নেমে যাই বা নামার চেষ্টা করি—তখন দুর্ঘটনা তো অস্বাভাবিক বিষয় নয়। অন্যদিকে, যারা যানবাহন স্বাভাবিকভাবে চালানোর বদলে পাল্লা দেয় কিংবা নেশাগ্রস্ত বা ধূমপানরত অবস্থায় ট্রাক-বাস চালায়—যাত্রী কিংবা পথচারীদের তারা আদৌ ’মানুষ’ মনে করে কি না সন্দেহ।
সুদীপ্ত বালা
বি.এসসি, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
সড়কে অব্যবস্থাপনা, ট্রাফিক আইনের অমান্যতা, পথচারীর ট্রাফিক সিগন্যালে অভ্যস্ত না হওয়া, যানবাহন শ্রমিকদের অদক্ষতা ও উদাসীনতা এবং অসতর্কতা, ইউ-আকৃতির রাস্তা সোজা না করা, মহাসড়কে আইল্যান্ড বা ডিভাইডার না থাকা, যানবাহনের মালিক ও শ্রমিকদের খণ্ড খণ্ড সিন্ডিকেট থাকা, রাজনৈতিক তত্পরতা বা অপশক্তি খাটিয়ে ফিটনেসবিহীন গাড়ির ব্যবহার সড়ক-মহাসড়কে বিশৃঙ্খলার অন্যতম কারণ।
মো. ফিরোজ সোহাগ
এম ফিল গবেষক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন তার সঙ্গে আমি সর্বাংশে একমত নই। কারণ, ২০১৫ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার এবং আহত হয়েছে প্রায় ৬২ হাজার মানুষ। এসব সড়ক দুর্ঘটনার ৫৩% ঘটে গাড়ির অতিরিক্ত গতির কারণে, ৩৭% চালকের বেপরোয়া মনোভাবের কারণে এবং আর ১০% গাড়ির ত্রুটি ও পরিবেশের কারণে। অন্যদিকে পথচারীরা যদি রাস্তার এক পাশ থেকে অন্যপাশে যাওয়ার সময় যদি রাস্তা ব্যবহার না করে ওভারব্রিজ ব্যবহার করে, রাস্তা যদি সতর্কতার সঙ্গে অতিক্রম করে তাহলে এই সব সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।
সাবরিনা সুলতানা মিশু
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ
সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু এখন যেন কোনো খবরই নয়! অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব দুর্ঘটনার ব্যাপারে আইনগত কোনো ব্যবস্থাও নেওয়া হয় না। সড়ক দুর্ঘটনায় কুকুর-শিয়ালের মৃত্যু হলে যতটা শোরগোল হয়, তার ছিটেফোঁটাও হয় না মানুষের মৃত্যুতে। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হবে—এটাই তো স্বাভাবিক। কাজেই এ নিয়ে কথা বলার তো কিছুই দেখি না। প্রতিটি মৃত্যুর দায়ভার সরকার কিংবা গণপরিবহন মালিক-শ্রমিকদের নেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলে এমনিতেই কমে যাবে দুর্ঘটনার পরিমাণ।
মেনহাজুল ইসলাম তারেক
মুন্সিপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর
আমাদের দেশে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে। নতুন নতুন সড়ক অবকাঠামো নির্মিত হচ্ছে। মহাসড়কে একাধিক লেন হচ্ছে। বিপজ্জনক বাঁক ঠিক করা হচ্ছে। কিন্তু কেন রোধ করা যাচ্ছে না প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা? সড়ক-মহাসড়ক থেকে ফিটনেসবিহীন যানবাহন তুলে দেওয়ার পাশাপাশি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে দুর্ঘটনা অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করি।
মোছা. বিলকিছ আক্তার
ট্রেইনিং স্কুল, টাঙ্গাইল
অনভিজ্ঞ চালক, ফিটনেসবিহীন গাড়ি, ওভারটেক করা, বেশি যাত্রী তোলার আকাঙ্ক্ষা, গতিসীমা বেশি থাকা , লুকিং গ্লাস না থাকা , ট্র্যাফিক সিগন্যাল না মানাসহ ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে সড়কে দুর্ঘটনা ঘটে। তাছাড়া চাঁদাবাজি, বকশিস নামে চাঁদা দেওয়া, ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে সড়কে/মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা লেগেই থাকে।
কামাল হোসাইন
জগন্ননাথদী, মধুখালী, ফরিদপুর
এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে, দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় রোজ মারা যাচ্ছে ৬৪ জন। সাধারণ মানুষের মৃত্যুর ঝুঁকি দিন দিন বাড়লেও নীরব প্রশাসন।
সাদিয়া সুলতানা মাহি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল
সদরঘাট থেকে শুরু করে গুলিস্তান হয়ে পল্টন মোড় পর্যন্ত একবর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে কিছু কিছু নির্দিষ্ট পয়েন্টে প্রতিমাসে একবার করে মোবাইল কোর্ট বসিয়ে তদারকি করা দরকার। এতে করে ট্রাফিক আইন-কানুন পালনে অনভ্যস্তদের নিয়ম মানতে বাধ্য হবে।
ভুঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী
চৌমুহনী, হাজীপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী
সড়ক দুর্ঘটনা দূর করতে হলে দক্ষ ড্রাইভার, পথচারীদের পথ চলার নিয়ম মেনে চলার ক্ষেত্রে আইন-শৃংখলা বাহিনীর ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা এবং যানবাহনের ক্ষেত্রে সর্বস্তরের সচেতনতার মনোভাব সৃষ্টি করতে পারলেই সড়ক দুর্ঘটনা সম্পূর্ণভাবে শেষ না হলেও সীমিত আকারে চলে আসবে।
মাখরাজ খান
সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ
আমাদের দেশে সড়ক মহাসড়কে দুর্ঘটনা ঘটছে। এরজন্য লাইসেন্সবিহীন অদক্ষ চালক ও মেয়াদোত্তীর্ণ পুরনো যানবাহনই দায়ী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে যাচ্ছেন। চালকরা সুন্দরভাবে গাড়ি চালান।
ডা. গোপাল চন্দ্র পাল
পাল পাড়া, আতাইকুলা বাজার, সাথিয়া, পাবনা
সড়ক-মহাসড়কে বিশৃংখলার দায় মূলত সরকারের অব্যবস্থাপনা, লাইসেন্স সংগ্রহে অনর্থক জটিলতা, মানুষকে জাল লাইসেন্স/নকল লাইসেন্স সংগ্রহে আকৃষ্ট করছে। সে কারণে সকল লাইসেন্স বৃদ্ধি পেয়েছে। কাজেই লাইসেন্স সংগ্রহ প্রক্রিয়া সহজীকরণ করে এবং ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নতি করে এ সমস্যা সমাধান করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।
মো. আসির জুবায়ের খান মজলিশ
৩৫/১, সড়ক-৪, ধানমন্ডি, ঢাকা
সড়ক-মহাসড়কে বিশৃংখলার প্রধান কারণ হচ্ছে গাড়ির আমদানিকৃত চেসিস বর্ধিতকরণ ও উইন ব্যাস পরিবর্তন করায় এতে করে গাড়ির ভারসাম্য না থাকার কারণে অনেক ড্রাইভার গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন।
খন্দকার কামরুজ্জামান
উত্তর পীরেরবাগ, মিরপুর, ঢাকা
লাইসেন্সবিহীন অদক্ষ চালক ও মেয়াদোত্তীর্ণ লক্কড়ঝক্কড় যানবাহন যেমন দায়ী, তার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বেপরোয়া ও অসচেতন পথচারীদের বিষয়টিও। চালক ও হেলপারদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে।
শিশির
পিলখানা, ঢাকা
ড্রাইভার ও হেলপাররা আগের মতোই বেপরোয়া আচরণ করছে। সব মিলিয়ে এখন সড়ক-মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হলে সড়ক পরিবহনে সুনির্দিষ্ট কিছু আচরণবিধি বাধ্যতামূলকভাবে মানার বিষয়ে কঠোর হতে হবে।
মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)
আরাপপুর, ঝিনাইদহ
সড়ক-মহাসড়কে বিশৃংখলা থেকে রেহাই পাচ্ছে না নগরবাসীরা। দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তি প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।
এম কে মোহাম্মদ রমিজ উদ্দিন
আয়কর আইনজীবী, পুরানা পল্টন, ঢাকা
কয়েক মাস আগে রাজধানীর শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুইজন শিক্ষার্থীর মৃত্যুর প্রতিবাদে ছাত্র আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। সেই পরিপ্রেক্ষিতে সড়ক পথে দুর্ঘটনা এড়ানো এবং নিরাপদ ভ্রমণ ও চলাচল নিশ্চিত করতে বিআরটিএ ছাড়াও সড়ক পরিবহন, শ্রমিক ও মালিক সংগঠনসহ বিভিন্ন কর্তাব্যক্তিরা নানা পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই পদক্ষেপ কিছুদিন দৃশ্যমান হলেও বর্তমানে নেই।
আল মায়ামী
ফুলবাড়িয়া, সাভার
সড়ক দুর্ঘটনা কোনো অপ্রতিরোধযোগ্য বিষয় নয় বলে আমরা মনে করি। সড়ক পথের সংস্কার ও উন্নয়নের কাজ যথাযথভাবে হওয়া ও দুর্ঘটনার জন্য একটি বড় কারণ। সড়ক-মহাসড়কে বিশৃংখলা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন সকল মহলের আন্তরিকতা।
সালমা আফরোজ
নিবেদিকা মহিলা হোস্টেল, ফার্মগেট, ঢাকা