বিগত উনিশ শতকের শেষ দিক পর্যন্ত ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, ভলিবল খেলায় জাতীয়ভাবে সুনাম ধরে রাখলেও বর্তমানে স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া নিয়ে কুমিল্লার ক্রীড়াঙ্গনের ব্যস্ততা! যে স্টেডিয়াম একসময় হাজার হাজার দর্শকের করতালিতে মুখর থাকত, আজ সেই স্টেডিয়ামে খেলাও নেই, দর্শকও নেই। এই যখন অবস্থা তখন কুমিল্লার খেলাধুলাকে এগিয়ে নেওয়ার মতো কোনো পরিকল্পনাও নেই জেলা ক্রীড়া সংস্থার। বর্তমানে সংস্থাটি নামমাত্র মিটিং, সভা করে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখছে। ’জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন’ নামের অন্য একটি সংগঠন দাপিয়ে বাস্তবায়ন করছে সমস্ত সিদ্ধান্ত। আর সেটার নেতৃত্বে রয়েছে রাজনৈতিক ও জনপ্রতিনিধিরা। দু-তিন জন ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সেই কমিটিতে থাকলেও উল্লেখযোগ্য স্বীকৃত সাফল্য নেই বা জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করার সৌভাগ্য হয়নি তাঁদের। একাধিক প্রবীণ ক্রীড়াবিদ, সংগঠক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, খেলাধুলার উন্নয়ন করতে হলে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করা সাবেক খেলোয়াড় বা দক্ষ সংগঠকদের সঙ্গে ভালো মানের কোচ নিয়ে এগুতে হবে। একেবারেই অগোছালো অবস্থা বর্তমানে কুমিল্লার ক্রীড়াঙ্গনের। সাধারণ ক্রীড়াপ্রেমি মানুষের দাবি—প্রকৃত ক্রীড়াবিদ-সংগঠকদের মাধ্যমে জেলা ক্রীড়া সংস্থার পাশাপাশি জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন পরিচালিত হোক। হারানো ঐতিহ্য ফিরে আসুক কুমিল্লা ক্রীড়াঙ্গনের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক