চলে গেলেন সাবেক ক্রিকেটার এ এস এম ফারুক

ক্রিকেটার, দক্ষ সংগঠক, প্রশাসকের প্রশংসা তার নামের পাশে সবসময় মানানসই। ষাট-সত্তরের দশকে ক্রিকেট খেলেছেন, পূর্ব পাকিস্তান একাদশের ক্রিকেটার এবং স্বাধীনতাউত্তর বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় দলের ক্রিকেটার ছিলেন এ এস এম ফারুক। ১৯৭৬ সালে এমসিসির বিপক্ষে তথা প্রথম বিদেশি কোনো দলের বিরুদ্ধে খেলা বাংলাদেশ দলের সদস্য ছিলেন তিনি।

কীর্তিমান এই সাবেক ক্রিকেটার আর নেই (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)। গত বুধবার রাতে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন এ এস এম ফারুক। বুধবার রাতে ঢাকা ক্লাব থেকে বাসায় ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। গতকাল রমনা থানা সংলগ্ন রমনা জামে মসজিদে এ এস এম ফারুকের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। চিরবিদায়ের আগে বিসিবির পরিচালকসহ ক্রীড়াঙ্গনের সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তাকে।

২০০৪ সালে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এই সাবেক ক্রিকেটারের বড় পরিচয় ছিল ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটে সাদা-কালো শিবিরকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ১৯৬৭ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত।

বিসিবির সদস্য, কাউন্সিলর হিসেবে দেখা গেছে সদ্য প্রয়াত এই ক্রিকেটারকে। বিসিবির টেকনিক্যাল কমিটির সদস্য ছিলেন আমৃত্যু। এছাড়া ২০০৩ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার, ২০১৬ যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ম্যানেজারের দায়িত্বও পালন করেছেন এ এস এম ফারুক। ২০০৭ সালে বিসিবির গেম ডেভলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান পদেও ছিলেন তিনি। একই বছরে আফ্রো-এশিয়া কাপে এশিয়া দলের নির্বাচক হিসেবে কাজ করেছিলেন।

এ এস এম ফারুকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বিসিবি। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছে বিসিবি।