জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী তথা মুজিববর্ষে কাজে গতি ফিরেছে সরকারের নির্মাণকাজের পৃথিকৃত্ প্রতিষ্ঠান গণপূর্ত অধিদপ্তরে। সরকারের অ্যালোকেশন অব রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী এই প্রতিষ্ঠানের কর্মপরিধির মধ্যে রয়েছে প্রায় সব মন্ত্রণালয়ের দাপ্তরিক ও আবাসিক অবকাঠামোসমূহ নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত। বর্তমান করোনা মহামারিকালেও এখানকার সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ এবং এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে তারা রয়েছেন কাজে অবিচল। তারা এগিয়ে চলেছেন ‘থ্রি-কিউ’ মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে। ইংরেজি বর্ণ কিউ মানে ‘কোয়ালিটি’, কিউ মানে ‘কোয়ান্টিটি’, আবার কিউ মানে ‘কুইক’। এই তিনটি শব্দই মেনে চলা হচ্ছে গণপূর্ত অধিদপ্তরে। দ্রুততর সময়ে সেখানে নিশ্চিত হচ্ছে কাজের গুণমান এবং পরিধি।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঐতিহ্য ধরে রাখতে এবং কাজকর্মে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণসহ গতিশীলতা আনতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন প্রধান প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম নিজে। তিনি সরকারি এই প্রতিষ্ঠানে কাজের গুণমান রক্ষা ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পাদনের লক্ষ্যে চালু করেছেন আলোচিত ‘থ্রি-কিউ’ মন্ত্র। এলক্ষ্যে অধিদপ্তরে পাঁচটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করেছেন।
জানা যায়, বর্তমানে সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও কোভিড-১৯ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্বে স্বাস্থ্য খাতে চলমান উন্নয়নমূলক কাজ গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীসহ মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বল্পতম সময়ে বাস্তবায়ন করে চলেছেন। ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও মাঠ প্রশাসনের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে সারাদেশে হাসপাতালসমূহে পিসিআর ল্যাব, কোয়ারেন্টাইন সেন্টার, আইসোলেশন সেন্টারসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণে গণপূর্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সারাদেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে চিকিত্সাসেবা সুনিশ্চিত করতে অবকাঠামোগত কাজ সম্পন্নের স্বীকৃতি স্বরূপ বিভাগ ও জেলা পর্যায় থেকে এই অধিদপ্তরকে চিঠি দিয়ে ধন্যবাদও জানানো হয়েছে।
n লেখক :বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী