ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছেন, লাদাখে অন্তত ৩৮ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা বেআইনিভাবে দখল করে রেখেছে চীন। এর পাশাপাশি তথাকথিত চীন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫ হাজার ১৮০ বর্গকিলোমিটার এলাকা পাকিস্তান চীনকে দিয়েছে বলে ফের মনে করিয়ে দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ। তারপরও অরুণাচল প্রদেশে ৯০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকাকে নিজের বলে দাবি করছে বেইজিং! গতকাল বৃহস্পতিবার পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এসব কথা বলেন। খবর স্ক্রল ইন, ইন্ডিয়া টাইমস ও ইকোনোমিক টাইমসের
রাজনাথ সিং বলেন, বিশ্বের কোনো শক্তি লাদাখে ভারতীয় সেনার টহলদারি আটকাতে পারবে না। ভারতীয় সেনার টহলদারি আটকানোর জন্য চীনা বাহিনীর চেষ্টাই লাদাখে সংঘাতের কারণ বলে উল্লেখ করেন তিনি। পূর্ব লাদাখে ভারতীয় সেনাবাহিনীর টহলদারির ধরণও বিন্দুমাত্র পরিবর্তিত হবে না বলে গতকাল বিরোধীদের প্রশ্নের উত্তরে জানিয়ে দেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।
আরো এলাকা দাবি নেপালের
ভারতের বিরুদ্ধে ফের ভূখ্ল নিয়ে সুর চড়াল নেপাল। গত জুনে ভারতের উত্তরাখ্লের লিম্পিয়াধুরা, কালাপানি ও লিপুলেখ-এই তিনটি ভূখ্লকে নিজেদের দাবি করে নতুন মানচিত্র তৈরি করেছে নেপালের কমিউনিস্ট সরকার। বিতর্কিত সেই মানচিত্রে সবুজ সংকেতও দেয় নেপালের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ। এবার উত্তরাখ্লের নৈনিতাল ও দেরাদুনকেও নিজেদের ভূখ্ল বলে দাবি করেছে দেশটি। জানা গেছে, নেপাল কমিউনিস্ট পার্টি ও ইউনিফায়েড নেপাল ন্যাশনাল ফ্রন্টের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ‘গ্রেটার নেপাল’ প্রচার শুরু করেছে। সেই প্রচারের অঙ্গ হিসেবে ১৮১৬ সালের সুগৌলি চুক্তির আগে নেপালের মানচিত্রকেই সামনে আনা হচ্ছে। ঐ মানচিত্রে উত্তরাখ্ল, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, বিহার এমনকি সিকিমের বড় বড় শহরকেও নিজেদের বলে দাবি করছে নেপাল। এই প্রচারের অংশ হিসাবে ফেসবুক, টুইটার ও ইউটিউব চ্যানেলে লাগাতার বক্তব্য রাখা হচ্ছে। ভারতের বিরুদ্ধে নবীন প্রজন্মকে উসকানিও দেওয়া হচ্ছে বলে খবর। সেখানে যোগ করা হয়েছে পাকিস্তানের যুব সম্প্রদায়ের একাংশকেও।